ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাড়ির ওজন সীমা নিয়ে আবারও জটিলতা

হ্যাপী আক্তার: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সম্প্রতি কার্যকর হওয়া গাড়ির ওজন সীমা নিয়ে আবারও জটিলতা তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত বৈষম্যমূলক। কেন না কন্টেইনারে পণ্য আমদানি-রপ্তানির পণ্যসহ গাড়ির ওজনের সাথে সরকারের বেধে দেয়া ওজনের সাথে কোনো ভারসাম্য নেই। আর এতে করে সংকট তৈরি হয়েছে পণ্য পরিবহনের। আর সে কারণে বেড়েছে, বন্দরে কন্টেইনারের জটিলতা। সূত্র: ডিবিসি টিভি

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচলের আবারও নতুন ওজনশীলতা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। এতে মালামালসহ ৬ চাকার গাড়ির ওজন ২২ টন, ১০ চাকায় ৩০ টন আর ১৪ চাকার গাড়ির ওজন হতে হবে ৪০ টন।

তবে ৬ চাকার গাড়ি বা কাভার্ড ট্রাকের সমস্যা না হলেও সংকট বেড়েছে ১০ ও ১৪ চাকার ট্রেলারে যা সচরাচর কন্টেইনার বহন করে থাকে। সংশ্লিষ্ঠরা বলছেন, ২০ ফুটের কন্টেইনারে মালামালসহ গাড়ির ওজন হয় ৩৮ থেকে ৪০ টন। আর ৪০ ফুট দীর্ঘ কন্টেইনারের ক্ষেত্রে ওজন বাড়ে ৪৮ থেকে ৫০ টন।

চট্টগ্রাম বন্দরে ওঠা-নামা হয় ৫৫ শতাংশ কন্টেইনার ২০ ফুট দৈর্ঘ্য। বাকি ৪৫ ভাগ ৪০ ফুটের। সংশ্লিষ্ঠরা জানান, নতুন সিদ্ধান্তের কারণে প্রায় ৭০ শতাংশ কন্টেইনার খুলে ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানে পণ্য পরিবহন করতে হচ্ছে।

পোর্ট ইউডার্স ফোরামের সভাপতি মাহবুবুল আলম বলে, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ১৩ টনের ওপরে যেতে পারবে না।

সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম আকতার হোসাইন বলেন, পোর্টের ডেলিভারি অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, পোর্টগুলো খুলে ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানে নিতে হচ্ছে।

নতুন সিদ্ধান্তের কারণে ব্যস্ততা বেড়েছে ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের। কেননা এসব পরিবহন পণ্য পরিবহনের আদেশ পেলেও দূর গন্তব্যে তেমন ভাড়া পাচ্ছে না বন্দর কেন্দ্রীক ১১ হাজার ট্রেইলর। তাতে বন্দরের জট বাড়াবে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।

দেশের আমদানি-রপ্তানির প্রায় ৯৩ শতাংস হয় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। যার সিংহ ভাগ চলাচল হয় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহা সড়ক হয়ে।