‘ব্যাংকবাবা’

আহসান কবির : গত পাঁচ বছরে (২০১২-২০১৭) ব্যাংক ব্যবসার গতি যত তার চেয়ে ঢের বেশি নাকি ঋণ প্রদানের গতি! এই ঋণ প্রদানেই নাকি আসল লাভ! মূলধনই খেয়ে ফেলা যায়। এদেশের ভণ্ড ‘পীরবাবারা’ যেমন ঝাড়-ফুক দিয়ে হাওয়ার উপর টাকা কামিয়ে নেয়, কিছু কিছু ব্যাংকের মালিকরা নাকি ঋণ প্রদানের নামে তেমনই করছেন। তাই তাদের নাম হয়ে গেছে ‘ব্যাংকবাবা’!
আসলে ব্যাংক না থাকলে কী হতো? প্রেম আর বিয়ে নিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়তেন! কারণ প্রেম ও বিয়েতে নাকি হৃদয়ের অ্যাকাউন্টের কোনও দাম নেই। ব্যাংক অ্যাকাউন্টই সব! বেচারা শেক্সপিয়র কয়েক শতাব্দী আগেই তাই লিখতে পেরেছিলেন–মানি ইজ দ্য ভিজিবল গড। এর সঙ্গে আমি যুক্ত করে নিয়েছি–ব্যাংক ইজ দ্য গ্রেটেস্ট টেম্পল! প্রার্থনার জন্য যে মন্দির বা মসজিদ সেখানে জুতো পরে যেতে দেওয়া হয় না। ব্যাংকে অবশ্য ভালো জুতো বা স্যান্ডেল না পরে গেলে ব্যাংকের কর্মকর্তারা নাকি গরিব ভেবে বসেন। মন্দির বা মসজিদে গিয়ে সাবধান না থাকলে সেখানে চুরি হয় জুতা বা স্যান্ডেল। ব্যাংক থেকে অবশ্য টাকা ছাড়া আর কিছু নেওয়ার সুযোগই থাকে না! এক ভিক্ষুক ভাবলো দেশের জাতীয় ব্যাংকের সামনে গিয়ে ভিক্ষা করলে বেশি টাকা পাওয়া যেতে পারে। সে তাই করলো। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত ভিক্ষা মিললো না। সে সিদ্ধান্ত নিলো ব্যাংকের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা অর্থাৎ গভর্নরের কাছেই সে ভিক্ষা চাইবে। দুই তিন দিন সে এভাবে ভিক্ষা চাইলো-বিধাতার নামে আমাকে কিছু টাকা দেন স্যার। তিনদিনের দিন খানিকটা বিরক্ত হয়ে গভর্নর সাহেব বললেন–বিধাতার নাম আর অ্যাকাউন্ট নম্বরটা বলেন। আমি এখনই চেক লিখে দিচ্ছি!

বিধাতা মানুষ নন বলেই হয়তো তাঁর টাকার দরকার নেই। তবে যার টাকার দরকার সে নাকি ঋণ না নিয়েও ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিতে পারে। বিশ্বাস না হলেও ঘটনা সত্যি । ২০১৬ সালের ২৬ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে(?) প্রথম হামলে পড়েছিল হ্যাকার, চোর অথবা লোপাটকারীরা। একই বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে বারোটায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সুইফটের (সুইফট হচ্ছে ব্যাংকের আর্থিক লেনদেনের বার্তা আদান প্রদানকারী আর্ন্তজাতিক একটা নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা) বার্তা ব্যবহার করে ৩৫টি অর্থ স্থানান্তরের অ্যাডভাইস পাঠানো হয়েছিল অ্যামেরিকার ফেডারেল ব্যাংক অব নিউইয়র্কে (এই ব্যাংকে বাংলাদেশের মতো অনেক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বড় বড় প্রতিষ্ঠান তাদের রিজার্ভ জমা রাখে। এই টাকা দিয়ে বিদেশি ঋণ শোধ, কেনাকাটার দাম পরিশোধ, এলসির টাকা পরিশোধ সহ আরও অনেক কিছুর লেনদেন হয়ে থাকে) ৩৫টির ভেতর ৫টি বার্তা বা পরামর্শ কার্যকর হয়ে গেলে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার বা ৮০৮ কোটি টাকা চলে যায় ফিলিপাইন ও শ্রীলংকাতে। এই টাকা আজও পায়নি বাংলাদেশ ব্যাংক, আদৌ পাবে কিনা সন্দেহ আছে।

শুধু বাংলাদেশ ব্যাংক নয়, এই দেশের আরো অনেক ব্যাংকে এমনতর ঘটনা আছে। সেসব জানানোর আগে আরও একটা কৌতুক জানিয়ে রাখা ভালো। পল্টু গেছে বল্টুর কাছে টাকা ধার চাইতে। পল্টু বললো, দোস্ত আমারে পাঁচ হাজার টাকা ধার দে। বল্টুর উত্তর, পাঁচ হাজার কেন? পাঁচ কোটি টাকা ধার নে! পল্টুর অবাক জিজ্ঞাসা, কেন? বল্টুর উত্তর, পাঁচ হাজার টাকা ধার দিলে হবে আমার মাথাব্যথা। আর পাঁচ কোটি হলে হবে ব্যাংকের মাথাব্যথা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো এদেশের অনেক ব্যাংকের হয় মাথা নেই কিংবা মাথা ব্যথা নেই! ২০১২ সালে সোনালী ব্যাংকে আড়াই হাজার কোটি টাকার কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটে। প্রায় একই সময়ে হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটে এবং তিন হাজার ছয়শত কোটি টাকা লোপাট হয়। বেসিক ব্যাংকে চার হাজার কোটি টাকার কেলেঙ্কারির ঘটনা দেশময় তোলপাড় তোলে। এই চার হাজার কোটি টাকা কেলেঙ্কারির পর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত অবশ্য বলেছিলেন, চার হাজার কোটি টাকা এমন বেশি কিছু না! বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা লোপাটের মাসে অর্থাৎ ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জনতা ব্যাংকে ২৫১ কোটি টাকার দুর্নীতি ধরা পরে।

২০১২ থেকে ২০১৭ সালের শেষ পর্যন্ত ব্যাংক কেলেঙ্কারির ঘটনা একই রকম গতিতে চলেছে। ২০১৭ সালের শেষে এসে দেখা গেছে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের সাতটি ব্যাংক তাদের মূলধনই চিবিয়ে খেয়ে ফেলেছে! ব্যাংকগুলো হচ্ছে কৃষি ব্যাংক, সোনালি ব্যাংক, রুপালি ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক এবং বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক। এই সাত ব্যাংকের ঘাটতি হচ্ছে ১৬ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা। ২০১৬ সালের শেষ জরিপ অনুযায়ী সোনালী ব্যাংকরে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৭৪ কোটি টাকা। এ ছাড়া বেসিক ব্যাংকে ঘাটতি হয়েছে ২ হাজার ৬৮৪ কোটি টাকা ও রূপালী ব্যাংকরে ৭১৪ কোটি টাকা। এ ছাড়া বাংলাদশে কমার্স ব্যাংকের ঘাটতি হয়েছে ৩৪৫ কোটি টাকা, আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের ১ হাজার ৪৫১ কোটি টাকা। বাংলাদশে কৃষি ব্যাংকরে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৮৩ কোটি টাকা ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ঘাটতি ৭৪২ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে সাত ব্যাংকের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা।

এছাড়া নতুন নয়টি ব্যাংকেরও একই অবস্থা। যাচাই-বাছাই না করে ঋণ দেওয়া এবং পরিচালনা পর্ষদের অর্থাৎ মালিকদের ঋণ জালিয়াত ও খেলাপিদের পক্ষে দাঁড়ানোর ঝোক থাকায় এই ব্যাংকগুলোও রুগ্ন হয়ে পড়ছে। নতুন এই নয়টির ভেতর আটটি ব্যাংক হচ্ছে এনআরবি গ্লোবাল ও এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, ফার্মার্স ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্শিয়াল ব্যাংক, মধুমতি এবং মিডল্যান্ড ব্যাংক। এই ব্যাংকগুলোর ভেতর ফার্মার্স ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদকে বাদ দিয়ে নতুন পর্ষদকে পরিচালনায় আনা হয়েছে। মেঘনা ব্যাংকের এমডিকেও পদত্যাগ করতে হয়েছে। ব্যাংক বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় যাদের ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে সেইসব ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ আদায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের পাশে থাকা উচিত! তারা যেটা ইঙ্গিত দিয়েছেন সেটা হচ্ছে অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে যেসব ঋণ দেওয়া হয়েছে সেটা করাই ব্যাংক মালিকদের মূল উদ্দেশ্য ছিল কিনা! তহবিল কিংবা লুটপাট করাই যদি নতুন ব্যাংক দেওয়ার আসল উদ্দেশ্য হয় তাহলে আর কী করা? এই দেশে বেসরকারি টেলিভিশন ও ইউনিভার্সিটির মতোই ব্যাংকের সংখ্যা অনেক! সাতান্নটির ভেতরে আঠারটি ব্যাংকের অবস্থাই নাজুক। এরপরও হয়তো রাজনৈতিক বিবেচনায় নতুন কোনও ব্যাংককে অনুমোদন দেওয়া হবে!

লেখার প্রথমেই প্রশ্ন জেগেছিল ব্যাংক না থাকলে কী হতো? ঋণখেলাপী ও দেউলিয়া শব্দ দুটির সঙ্গে আমাদের পরিচয় হতো না। বাংলা ছবির গানের কথা এমন–দু’চোখে তুমি যে আছো রাত জাগা চাঁদের মতো/পৃথিবীতে এতো প্রেম নেই ভালোবাসি তোমাকে যতো! যতো প্রেম নেই তার বেশি ভালোবাসলে ‘প্রেমখেলাপি’ হতে হয়। ঠিক তেমনি ব্যাংক যতোটা পারে তার বেশি ঋণ দিলেতো ঋণখেলাপি হবেই! রেনেসোর কালে ইতালিতে যখন প্রথম মুদ্রার লেনদেন শুরু হয় তখন ইহুদি ব্যবসায়ীরা বাজারের ভেতর লম্বা বেঞ্চ বিছিয়ে মুদ্রার লেনদেন করতো। বেঞ্চের উপরে থাকতো সবুজ চাদর। কোনোদিন লেনদেন ঠিকঠাক না হলে বাজারের জনতা এই বেঞ্চ ভেঙে ফেলতো। ইতালির লোম্বার্ডো নামের জায়গায় এই বেঞ্চ বিছিয়ে মুদ্রা লেনদেনের ঘটনাকে বলা হতো ব্যাংকো। এই ব্যাংকো থেকেই ব্যাংক শব্দটার উৎপত্তি। আর বেঞ্চ ভাঙার এই যে প্রথা সেটাকে বলা হতো দেউলিয়া! ব্যাংক আমাদের কাউকে কাউকে দেউলিয়া হতেও শিখিয়েছে। হোক সেটা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিংবা এরশাদ আমলের খানিক সময়ের প্রধানমন্ত্রী মিজান চৌধুরী। চৌধুরী সাহেবকে দেউলিয়া ঘোষণা করা হয়েছিল আর রবীন্দ্রনাথ তার নোবেল পাওয়া টাকা কৃষি ব্যাংকে বিনিয়োগ করেছিলেন। ব্যাংকটাই বসে গিয়েছিল। সেই তুলনায় ডক্টর মুহম্মদ ইউনূস ভাগ্যবান। তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীন ব্যাংক হয়তো ভালোই আছে। তবে এরশাদ আমলে দেওয়া আরেক ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকেরও মালিকানা এবং পরিচালন পর্ষদে রদবদল হয়েছে। সেখানে বিদেশি বিনিয়োগ কমেছে, বেড়েছে দেশি বিনিয়োগ। চট্টগ্রামের ধনাঢ্য ব্যবসায়ী খ্যাত এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ নিয়ন্ত্রণ করছে বলে একাধিক পত্রিকায় খবর বেরিয়েছে। এই দেশে ক্যাডারদের যেমন অদ্ভুত নাম থাকে (যেমন মুরগি মিলন, সুইডেন আসলাম, কালা জাহাঙ্গীর, ডগ শিশির, ভাগিনা সেলিম) তেমনি ব্যাংক দখলের কারণে ২০০০ সালে একজনের নাম হয়ে গিয়েছিল ব্যাংক বাবু! বাবু আর বাচ্চুর মতো ব্যাংকবাবাদের খপ্পর থেকে ব্যাংকগুলোকে বাঁচানো দরকার।

পুঁজিবাদী অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণের একটা বড় নিয়ামক ব্যাংক বলে নায়ক নায়িকাদের মতো ব্যাংক নিয়েও প্রচুর খবর আসে পত্রিকায়। টাকা রাখার জায়গা বা ‘গ্রেটেস্ট টেম্পল’ বলেই কথা। তবে ব্যাংকের ভেতরও মানুষ নির্ভরতা খোঁজে। সুইস ব্যাংকে টাকা রাখে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষ। ২০১৫ সালে বাংলাদেশের মানুষেরা এই ব্যাংকে যতো টাকা রেখেছিল ২০১৬-২০১৭ তে সেটার পরিমাণ আরও দশ হাজার কোটি বেড়েছে। বিল গেটসের কথাটাই আসল–যখন তোমার টাকা থাকবে তখন শুধুমাত্র তুমি ভুলে যাবে তুমি কে এবং কী ছিলে। আর যখন টাকা থাকবে না তখন পৃথিবী ভুলে যাবে তুমি কে! গরিবরা সামান্য কিছু টাকা নিলে সেই ঋণ আদায়ের জন্য ব্যাংক নির্মম হয়ে ওঠে। কিন্তু হাজার কোটি টাকা যখন লোপাট হয় তখন ব্যাংক চুপ করে থাকতে চায়। সক্রেটিসের কথাটি এখানে মনে করা যেতে পারে। যার প্রচুর টাকা আছে ব্যাংক এবং আইন তার কাছে খোলা আকাশের মতো। আর যার টাকা নেই আইন তার কাছে মাকড়সার জালের মতো!

টাকা হচ্ছে প্রকাশ্য দেবতা আর ব্যাংক হচ্ছে সবচেয়ে বড় গীর্জা কিংবা মন্দির। সুতরাং টাকা দেবতা ও গীর্জা-মন্দিরের গল্প শুনে বিদায় নেই।

এক. ধনাঢ্য এক ব্যবসায়ী মারা গেছেন। ব্যবসায়ীর ইচ্ছে অনুসারে তার মরদেহ সৎকারের জন্য তার স্ত্রী এক সিমেট্রিতে গেলেন। সিমেট্রির দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিটি জানতেন যে ব্যবসায়ী সব টাকা তার সঙ্গে কবরে দিতে বলেছেন। কবর দেওয়ার পর সেই ব্যক্তি জানতে চাইলো সব টাকা ওনার সঙ্গে কবরে দেওয়ার কথা ছিল। স্ত্রী বললো, হ্যাঁ। তবে উনি নগদে লেনদেন করতেন না। চেক এর মাধ্যমে করতেন। আমি ওনার সব টাকা আগে নিজের অ্যাকাউন্টে রেখেছি। ওনার সঙ্গে কবরে দশটি চেক দিয়েছি! যখন ইচ্ছে উনি টাকা তুলে নিতে পারবেন!

দুই. মার্কিন মুল্লুকে চারজন মানুষের সন্ধান পাওয়া গেলো যারা সবচেয়ে সুখি ব্যক্তি কিন্তু তাদের কোনও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই! সাংবাদিকরা তাদের কাছে ছুটে গেলো। সুখি চারজন মানুষ জানালো, তারা ব্যাংক আর চেকের কাজ কারবার পছন্দ করেন না। তারা ঈশ্বরের নামে চাঁদা তোলেন নগদ নগদে। গীর্জা ও নগরের বহু জায়গায় তাদের দানবাক্স রয়েছে। রবিবার প্রার্থনার দিনে তারা গীর্জায় যান। সেখানেও তারা নগদ ডলার তোলেন। প্রার্থনা শেষে তারা সব ডলার একটা চাদরে রাখেন। এরপর ঈশ্বরের উদ্দেশে এই চারজন চাদরের চারকোনা ধরে উপরে ছুঁড়ে মারেন। ঈশ্বরের যা রাখার দরকার তা রেখে দেন। যা মাটিতে পড়ে এই চারজন সেটা ভাগ করে নেন!

লেখক: রম্যলেখক। বাংলাট্রিবিউন