বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে ত্রিপুরায় মৈত্রী উদ্যান

হ্যাপী আক্তার:  আগামী ১৬ ডিসেম্বর ত্রিপুরা রাজ্যে উদ্ধোধন করা হবে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উদ্যান। এই মৈত্রীতে তুলে ধরা হবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। যেখানে আছে স্মৃতিসৌধ, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ও পাকবাহিনীর অত্যাচারের প্রতিচ্ছবি। যা নির্মিন করেছেন দুই দেশের শিল্পী মিলে। সূত্র: চ্যানেল টোয়েন্টিফোর

ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উদ্যানে মুক্তিযুদ্ধের ফটো চিত্র ফুটে উঠেছে সেখানে। ত্রিপুরা রাজ্যে প্রায় ২০ হেক্টক জমির ওপরে নির্মিত উদ্যানে রয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাস্কর্য। রয়েছে পাক হানাদার বাহিনীর অত্যাচারের প্রতিচ্ছবিও। উঁচু টিলায় দাঁড়িয়ে আছে ১২ ফুট স্মৃতিসৌধ, ৩২ ফুট উচ্চতায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য তার সাথে রয়েছে ইন্দিরা গান্ধীর মূর্তিও। যা নিমার্ণ করেন, ভারত-বাংলাদেশের একদল শিল্পী।

১৯৭১ সালে পাকহানদার বাহিনীরা যখন নিরীহ বাঙগালীর ওপরে অত্যাচার করছিলো তখন খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ফেনী, ব্রাক্ষণবাড়িয়া ও কুমিল্লা থেকে প্রায় ১৬ লাখ  শ্বরণার্থী ভারতের ত্রিপুরায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেখান থেকে মুক্তিকামি মানুষেরা প্রশিক্ষণ নিয়ে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন।

ত্রিপুরা রাজ্য বিধান সভার বিধায়ক সুধন দাস বলেন, ‘ভারত-বাংলাদেশের মৈত্রী সম্পর্ককে আরো সুদৃর করার লক্ষ্যেই আমরা এই মৈত্রী কাজ শুরু করা করেছি।’

ত্রিপুরায় মৈত্রী উদ্যান কেবল ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্ব শক্ত করবে না মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে নতুন করে তুলে ধরতেও সাহায্য করবে।