রাজধানীতে আবার চালু হচ্ছে ইলেকট্রনিক ট্রাফিক সিগন্যাল

জান্নাতুল ফেরদৌসী: তিন মাসের মধ্যে রাজধানীতে আবার চালু হচ্ছে ইলেকট্রনিক ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা। সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে রাজধানীর ৯২টি মোড়ে ইলেকট্রনিক সিগন্যাল সিস্টেম বসানো কাজ প্রায় শেষ করে এনেছে। তবে নগরবিদদের আশংকা জনগণের সাথে সংশ্লিষ্টদের সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ না করলে আবারও মুখ থুবড়ে পড়বে এই ব্যবস্থা।

তিন লাখ যানবাহন ধারণক্ষমতার রাজধানীতে চলছে দশ লাখেরও বেশি গাড়ি। দিনদিন বেড়েই চলেছে যানজট অসহনীয় দুর্ভোগে নাকাল নগরবাসী।

বিপুল এই যানবাহনকে শৃঙ্খলায় আনতে নানা পদ্ধতি ব্যবহার করলেও ব্যর্থ হয়েছে ট্রাফিক পুলিশ। পুরো দেশ যখন ডিজিটাল হচ্ছে ট্রাফিক পুলিশকে বাধ্য হয়ে অনুসরণ করতে হচ্ছে অ্যানালগ পদ্ধতি। বাঁশি আর হাতের ইশারা তো আছেই গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে গাড়ি আটকাতে টানাতে হচ্ছে নাইলনের দড়ি।

এর আগে কয়েক দফা স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল চালুর উদ্যোগ নিলেও তীব্র যানজটে দ্রুতই আবার অ্যানালগে ফিরতে বাধ্য হয় ট্রাফিক পুলিশ । এবার মোড়ে দাঁড়ানো ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের হাতে থাকবে রিমোট কন্ট্রোল। আপদকালীন পরিস্থিতিতে লাল-সবুজ বাতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন তারা।

বিএমপির যুগ্ম কমিশনার মফিজ উদ্দীন আহমেদ বলেন,  সময় বাড়ানো কমানোর বিষয়টা সিগন্যালের পাশে কন্ট্রোল প্যানেল আছে তার মাধ্যমে করা হবে। কন্ট্রোল করার কিছু চাবি এখনই দেয়া হয়েছে।

ডিএসসিসিএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বিলাল বলেন, অত্যন্ত ডিজিটাল পর্যায়ে একটি প্রক্রিয়া হবে। এই প্রক্রিয়াটি দুই তিন মাসের মধ্যে চালু হবে।

তবে নগরবাসীকে সম্পৃক্ত করতে না পারলে এ ব্যবস্থাও ব্যর্থ হতে পারে এমন শংকা নগরবিদদের।

নগর পরিকল্পনাবিদ ইকবাল হাবিব বলেন, অবশ্যই এটি একটি ভালো পরিকল্পনা। এতে নগরবাসীকে সম্পৃক্ত করতে না পারলে এ ব্যবস্থা ব্যর্থ েহতে পারে।

স্বয়ংক্রিয় এ ব্যবস্থা রক্ষণাবেক্ষণে ৬১ জনের একটি দল নিয়োগ দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রাফিক বিভাগ। সূত্র: ইনডিপেডেন্ট টিভি