মেয়েদের ঠোঁটে লিপিস্টিক ও চুলে কালার ও নেলপলিশ সম্পর্কিত পাঁচটি প্রশ্ন

ওমর শাহ : মেয়েরা ঠেঁটে লিপিস্টিক ও চুলে কালার করে নামাজ আদায় করতে পারবে কীনা? নেলপালিশের ব্যবহার নিয়ে ইসলাম কী বলে? এসব বিষয়ে উত্তর দিয়েছেন বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মুহিবুল্লাহ হিল বাকী।

১. যারা বাণিজ্যিক ব্যাংকে চাকরি করেন তাদের টাকা হালাল কিনা?

উত্তর: রসূল (সা.) এরশাদ করেছেন, যে সুদ দিবে এবং সুদ যে গ্রহণ করবে সবাই জাহান্নামী এবং এটি কবিরাহ গুনাহ। আর সুদ ইসলামের মধ্যে হারাম এটি দ্বিমত করার কোনো সুযোগ নেই। আসলে যেখানেই সুদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে সেখানেই এই কবিরাহ গুনাহর কথা স্পষ্ট বলা হয়েছে।

তবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যদি ইসলামের শরীয়া অনুযায়ী তাদের কার্যক্রমগুলো পরিচালনা করে তাহলে কোনো সমস্যা নেই।

২. হাশরের ময়দানে নেককার ব্যক্তিদেরও কী হাজার হাজার বছর অপেক্ষা করতে হবে?

উত্তর: না, এ রকম হবে না। কারণ পাপিষ্ঠ এবং নেককার ব্যক্তিদের মধ্যে বহু পার্থক্য হবে। সেখানে সময়ের তারতম্য হতে পারে। কারো কাছে মনে হবে হাজার বছর, আবার কারো কাছে মনে হবে এক মিনিট।

৩. নরী-পুরুষের নামাজের মধ্যে কোনো পার্থক্য আছে কী?

উত্তর: নরী-পুরুষের নামাজের মধ্যে মৌলিক কোনো পার্থক্য নেই। তবে নারীদের শারীরিক গঠনের জন্য কিছু পার্থক্য থাকে।

৪. মেয়েদের হাতের নখে নেলপলিশ ও ঠোঁটে লিপস্টিক দেয়া ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে ঠিক কিনা?

উত্তর: নখে নেলপালিশ দিয়ে অজু করলে নখে পানি ঢোকে না। এর ফলে অজু ও নামাজ কোনোটাই হবে না।

এছাড়া লিপস্টিক খুব সফট তাই এটি দেয়া থাকলে পানি ঢুকবে। আর তাই ঠোঁটে লিপস্টিক দেয়া থাকলে অজু ও নামাজ হবে।

৫. মেয়েরা চুলে কালার করে নামাজ আদায় করলে সে নামাজ কবুল হবে?

উত্তর: না, এতে কোনো সমস্যা নেই। এক্ষেত্রে চুলে কোনো আবরণ তৈরি হয় না এবং চুলে সরাসরি পানি পৌঁছে যায়। সূত্র : আরটিভি