ইন্তিফাদা কী বা কেনো

মুফতি আবদুল্লাহ তামিম: সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে আলোচনায় ফিলিস্তিন। নতুন এক ইন্তিফাদার ডাক দিয়ে মাতিয়ে দিয়েছেন বিশ্ব হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়া। কী এই ইন্তিফাদা, কী তার ইতিহাস। ‘ইন্তিফাদা’ শব্দটি আরবি। শাব্দিক অর্থ উত্থান। প্রচলিত অর্থে ইসরাইলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের গণঅভ্যুত্থান। ১৯৮০ এর দশকের শেষ দিকে গাজা এলাকায় ইসরাইলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন শুরু হয়। দুইটি বড় গণজাগরণের পর এখন ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন তৃতীয় ইন্তিফাদার ডাক দিয়েছে ফিলিস্তিনি ভূখন্ডের পশ্চিম তীর এবং গাজা এলাকা ১৯৬৭ সাল থেকে ইসরাইলের দখলে আছে। প্রথম ইন্তিফাদা ১৯৮৭-১৯৯৩ সাল পর্যন্ত চলে। এ ছয় বছরে আইডিএফ আনুমানিক ১,১৬২-১,২০৪ জন ফিলিস্তিনি হত্যা করে। দ্বিতীয় ইন্তিফাদা সংঘটিত হয়েছিল ২০০০-২০০৫ সাল পর্যন্ত। এ্যারিয়েল শ্যারন হাজার খানেক সৈন্যবাহিনী নিয়ে জেরুজালেমের পুরাতন শহর,মসজিদ আল আকসা ভ্রমণ করতে আসলে এই ইন্তিফাদা শুরু হয়। তার এই ভ্রমণ ফিলিস্তিনিদের চোখে ইসলামের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ন মসজিদের উপর ইজরাইলি দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ হিসাবে প্রতীয়মান হয়। ইসলামে ফিলিস্তিনের বায়তুল মাকদিস এর অবস্থান মক্কা ও মদীনার পরেই।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী ঘোষণার পর ফিলিস্তিনিরা প্রতিরোধ আন্দোলন বা তৃতীয় ইন্তিফাদা’র ডাক দিয়েছে। যদি ইন্তিফাদা শুরু হয়, অবারো রক্তাক্ত হবে ফিলিস্তিন। আবারো আরেক রক্ত নদীর ইতিহাস রচিত হবে। বিবিসি, ইউকিপিডিয়া, নিউ আরব