আইপিএলে ক্রিকেটারদের আয় সপ্তাহে ১০০ কোটি!

ডেস্ক রিপোর্ট : ক্রিকেট এখন নিয়ন্ত্রণ হয় আইপিএলের ছন্দে। এ টুর্নামেন্টকে মাথায় রেখেই সব আন্তর্জাতিক দল সিরিজের সূচি সাজায়। ফ্র্যাঞ্চাইজি এই লিগ এখন ক্রিকেটারদের টাকা কামানোর সবচেয়ে ভালো উপায়। কালকের পর থেকে ক্রিকেটারদের চোখ নিশ্চয় আরও চকচক করে উঠবে। আগামী মৌসুম থেকেই যে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা বেতন দেওয়ার পরিকল্পনা করছে আইপিএল!

মুখ হা করে দেওয়ার মতো অঙ্কই বটে। গতকাল দিল্লিতে আইপিএলের পরিচালনা কমিটির সভা হয়েছিল। সেখানেই আইপিএলের বেতনসীমা বাড়িয়ে ৯৬ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৭৯১ কোটি টাকা) করার প্রস্তাব দিয়েছে। আগের তুলনায় এই ২০ ভাগ মূল্যবৃদ্ধির ফলে প্রত্যেক দল এখন খেলোয়াড়দের পেছনে ১২ মিলিয়ন ডলার খরচ করতে পারবে।

ক্রিকেটারদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সর্বনিম্ন বেতনের সীমাও দিয়ে দিয়েছে আইপিএল কমিটি। দলগুলোকে ক্রিকেটারদের পেছনে অন্তত ৯ মিলিয়ন ডলার খরচ করতে হবে। অর্থাৎ নিলামে কিংবা খেলোয়াড় ধরে রাখায় কেউ চাইলেই কিপটেমি করতে পারবে না। অর্থাৎ সব কটি দল অন্তত ৭২ মিলিয়ন ডলার (৫৯৪ কোটি টাকা) খরচ করবে ৮ সপ্তাহের জন্য! তবে কোনো দলেরই টাকা জমিয়ে রাখার সম্ভাবনা কম। ৮ সপ্তাহের জন্য খেলোয়াড়দের পেছনে তাই ৮০০ কোটি টাকা খরচ হবে তা ধরে নেওয়াই যায়। প্রতি সপ্তাহে খেলোয়াড়দের পেছনে দলগুলোর ব্যয় হবে ১০০ কোটি টাকা!

ইউরোপিয়ান ফুটবলের শীর্ষ দলগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিতে না পারলেও মাঝারি সারির ক্লাবগুলোর সঙ্গে পাত্তা দেওয়ার জন্য এ অঙ্ক যথেষ্ট।
এ সিদ্ধান্ত খেলোয়াড়দের কথা চিন্তা করেই নেওয়া হয়েছে সেটা বোঝাই যাচ্ছে। তবু সবাইকে পরিষ্কারভাবে জানিয়েও দিয়েছেন আইপিএলের চেয়ারম্যান রাজীব শুক্লা, ‘যে পরিবর্তনই আনা হচ্ছে, সব খেলোয়াড়ের কথা মাথায় রেখেই নেওয়া। খেলোয়াড়দের জন্য পুরস্কারের অঙ্কটাও বাড়ানোর কথা ভাবছি আমরা।’

খেলোয়াড়দের বেতন বাড়ানোর কথা ভাবতেই পারে আইপিএল। এ টুর্নামেন্টের একটি ম্যাচের বর্তমান মূল্য এখন প্রায় ৮৫ লাখ ডলার। ৬০ ম্যাচের এ টুর্নামেন্টের চেয়ে অল্প ব্যবধানে এগিয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ (ম্যাচপ্রতি ৯৬ লাখ ডলার)। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগকে টেক্কা দেওয়ার জন্য ভালোই তৈরি হচ্ছে আইপিএল!