সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বক্তব্য

রাশিদ রিয়াজ : কম্বোডিয়া সফর থেকে ফিরে এসে বৃহস্পতিবার বিকেলে গণভবনে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বক্তব্য রাখেন এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের উল্লেখযোগ্য কিছু অংশ নিন্মে দেওয়া হল।

যারা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিশ্বাস করে না, তারা নির্বাচনে আসবে না। এক্ষেত্রে কিছু করার নেই।

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচনে আসা প্রত্যেক দলের কর্তব্য।

২০৪১ সালে বাংলাদেশ হবে উন্নত দেশ।

জনগণ যাতে পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে পারে, সেটা নিশ্চিত করা হবে।

যারা জনগণের কল্যাণ চায়, তারাই নির্বাচিত হয়ে সংসদে আসুক।

খুনি–যুদ্ধাপরাধীরা যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে।

প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, বিএনপি নাকে খত দিয়ে এবারের নির্বাচনে আসবে।

বিএনপি নির্বাচনে আসবে কি আসবে না, সেটা তাদের সিদ্ধান্ত। সাধাসাধির কিছু নেই।

জামায়াত নিষিদ্ধ ছিল, জিয়া বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে তাদের রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছে। দলটি নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি আদালতের এখতিয়ার।

আগামী নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছোটলোকিপনা যারা করে তাদের সঙ্গে কিসের আলোচনা?

ট্রাম্পের জেরুজালেম ঘোষণা গ্রহণযোগ্য নয়, স্বাধীন ফিলিস্তিন হতে হবে।

তারেক সাজাপ্রাপ্ত আসামি, তাকে ফিরিয়ে আনা হবে। এ নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

সৌদিতে টাকা পাচারের বিচার দেশে হবে।

আগামীতে ভোট না দিলে আফসোস থাকবে না।

বাংলাদেশকে বিশ্ব সমীহ করে, বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল।

ক্ষমতা আমাদের কাছে জনগণের সেবা করা।

উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রাখতে আওয়ামী লীগকে দরকার।

কোনো এমপি ডেঞ্জার জোনে নেই, অন্তত রেড লাইনে নেই।

নির্বাচনের হাওয়া বওয়া ভালো, গণতন্ত্র বিরাজ থাকার লক্ষণ।

বিশ্বের শীর্ষ তিন সৎ নেতার মধ্যে আমি একজন।

এমন কোনো দৈন্যদশা হয়নি যে আগাম নির্বাচন দিতে হবে।

খালেদা জিয়ার জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সমর্থন পাচ্ছে বাংলাদেশ।