কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত

নাফরুল হাসান : কুয়াশার কারণে ব্যাহত হচ্ছে মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল। এতে দুর্ভোগ বাড়ছে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যাতায়াতকারী মানুষের। প্রাকৃতিক কারণে এই সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় দিনের বেলা যাতায়াতের পরামর্শ বিআইডব্লিউটিসি’র। আর রাতে ঘাট এলাকায় আটকা পড়া যাত্রীদের নিরাপত্তায় কঠোর অবস্থানের কথা বলছে উপজেলা প্রশাসন।

প্রতিবারের মত এবারো শীত মৌসুমে ঘন কুয়াশার কারণে ব্যাহত হচ্ছে মাদারীপুরের শিবচরের কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল। রাত ১২ থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত কুয়াশার তীব্রতা থাকায় দুর্ঘটনা এড়াতে এই রুটের ফেরিগুলোর চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এমনকি ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া ফেরি ঘন কুয়াশার কারণে মাঝ নদীতে নোঙর করে রাখা হয়। এতে পদ্মা নদীর মাঝে দীর্ঘ সময় আটকা পড়ে দুর্ভোগ পোহাতে হয় যাত্রী ও যানবাহন শ্রমিকদের। ভোগান্তি বাড়ে ঘাট এলাকায় আটকা পড়া যাত্রী ও চালকদেরও। আর, সঠিক সময়ে কাঁচামাল পৌঁছাতে না পারায় ঘাট এলাকায় তা পচে ক্ষতির মুখে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা।

এ সম্পর্কে  ভুক্তভোগীরা বলেন, ‘আমার গাড়িতে কাঁচামাল রয়েছে যেতে পারছি না, পার্টি গালাগালি করছে।’

প্রাকৃতিক কারণে এই সমস্যা হচ্ছে উল্লেখ করে দিনের বেলায় এই নৌরুট ব্যবহারের পরামর্শ বিআইডব্লিউটিসির। এ সম্পর্কে বিআইডব্লিউটিসির সিনিয়র টিএস জামিল আহম্মেদ বলেন, ‘ঘন কুয়াশার কারণে ফেরি চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। এজন্য যাত্রীদের অনুরোধ করি আপনারা দিনের বেলা চলাচল করবেন।’

এদিকে দিনে ও রাতে ঘাট এলাকায় আটকা পড়া যাত্রী ও চালকদের নিরাপত্তায় প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানান শিবচর উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা। মাদারীপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আহম্মেদ বলেন, ‘আমরা উপজেলা পরিষদ ও শিবচর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে যথাযথ সাহায্যের ব্যবস্থা করছি। প্রত্যেকটি ফেরিতে ফগ লাইট দেয়া হচ্ছে।’

দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের যাতায়াতের এই নৌরুটে ১৭টি ফেরি দিয়ে স্বাভাবিক সময় ১২শ’ যানবাহন পারাপার হলেও এখন পারাপার হচ্ছে ৮শ’ থেকে ৯শ’।

সূত্র : সময় টিভি