আমি মরে গেলেও ডাকসুর নির্বাচন দিবে না: ওয়ালিদ আশরাফ

আহমেদ জাফর: গত ১১দিন যাবৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসুর নির্বাচনের জন্য অমরণ অনশন চালিয়ে যাচ্ছি কোনো রকম সাড়া পাচ্ছি না। আমি মরে গেলেও ডাকসুর নির্বাচন দিবে না।

বুধবার ওয়ালি আশরাফ এ প্রতিবেদকে এসব কথা জানান। তিনি আরো জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের একমাত্র সংগঠন ডাকসু নির্বাচন দিয়ে তাদের অধিকার আদায়ের সুযোগ করে দেয়া হোক। এখন অস্বুস্থ্য বোধ করছেন ভালভাবে কথা বলতে পারেন না বলেও জানান তিনি।

বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী সংগঠনের সভাপতি ফারুক আহমেদ রুবেল বলেন ওয়ালিদ আশরাফকে স্বাগত জানাই। ডাকসুর নির্বাচনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ছাত্র সংগঠনের ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত। গত ২৭ টি বছর ধরে কোনো নির্বাচন দেয়া হচ্ছে না। যে সরকারই আসে, ডাকসু নির্বাচন নিয়ে তালবাহানা করে। তারা বলে নির্বাচন দিলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হবে, শিক্ষার অবনতি হবে। এসব কথা বলে অন্ধকারে রাখা হয়েছে ডাকসুকে।

তিনি আরো বলেন ওয়ালিদ আশরাফ ধিরে ধিরে অস্বুস্থ্য হয়েছে পড়ছেন। ভিসি স্যারের উচিৎ তার অনশনকে ভেঙ্গে একটি তারিখ ঘোষণা করা। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিসহ সকল গুণী ব্যক্তিরা ডাকসুর নির্বাচন চান।

তিনি বলেন, শিক্ষকরা তাদের অধিকার আদায় করে নিচ্ছে হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী। কিন্তু ছাত্ররা তাদের অধিকার আদায় করতে পারছে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা গণতান্ত্রিক সব আন্দোলনে অংশ নিয়েছে। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের জন্য গণতন্ত্র থাকবে না তা হতে পারে না। গত শনিবার (২৫ নভেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে অনশন করে আসছেন ওয়ালিদ আশরাফ।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের এমএসএস (সান্ধ্যকালীন) এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের রাশিয়ান ভাষার শিক্ষার্থী। ডাকসুর সর্বশেষ নির্বাচন হয় ১৯৯০ সালের ৬ জুন। ১৯৯৮ সালে ডাকসুর কমিটি ভেঙে দেওয়ার পর আর নির্বাচন হয়নি।