জান্নাত ও জাহান্নামের বিতর্ক

সাইদুর রহমান: বিতর্ক সত্য মিথ্যা উভয়েরই সম্ভাবনা রাখে। কিন্তু যেখানে স্বয়ং আল্লাহ তা’আলাই বিচারক এবং মধ্যস্থতাকারী। সেই বির্তক কী অসত্য হতে পারে ? কখনই না। আল্লাহ তা’ আলা অসীম ক্ষমতার অধিকারী। অসম্ভবকে সম্ভবকারী। তার কাছে অসম্ভব বলতে কিছু নেই। তিনি বিতর্কের সময় জান্নাত ও জাহান্নামকে বাকশক্তি দান করবেন। এরফলেই জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যে বির্তক হবে। বিতর্কের মূল বিষয় হলো, দুর্দান্ত প্রতাপশালীরা জাহান্নামে এবং দুর্বলেরা জান্নাতে যাবে।

এ বিষয়ে হাদীসে এসেছে, আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘একদা জাহান্নাম ও জান্নাত বিতর্কে লিপ্ত হলো। জাহান্নাম বলল, অহংকারী এবং প্রভাব প্রতিপত্তি সম্পন্ন লোক দ্বারা আমাকে প্রাধন্য দেয়া হয়েছে। জান্নাত বলল, আমার কি হলো, মানুষের মাঝে যারা দুর্বল, নীচু স্তরের এবং অক্ষম, তারাই আমার মধ্যে প্রবেশ করবে।’

এ কথা শুনে আল্লাহ তা’ আলা জান্নাতকে বললেন, তুমি আমার রহমত, আমার বান্দাদের যার প্রতি ইচ্ছা আমি তোমার দ্বারা করুনা বর্ষণ করব। এরপর তিনি জাহান্নামকে বললেন, তুমি আমার আযাব, আমার বান্দাদের যাকে ইচ্ছা আমি তোমার দ্বারা শাস্তি দেব। তোমাদের প্রত্যেকের জন্যই থাকবে ভরপুর হিস্যা। তবে প্রথমে জাহান্নাম পূর্ণ হবে না। তাই আল্লাহ তা’ আলা এতে তার পা রাখবেন। তখন জাহান্নাম বলবে, ব্যাস, ব্যাস। এ সময়ই জাহান্নাম পূর্ণ হবে এবং জাহান্নামীদের এক অংশ অপর অংশের সাথে প্রচন্ড চাপ খাবে। মুসলিম হাদীস নং ৬৯১০