ইনস্ট্যান্ট নুডুলসের মজার তথ্য

সাঈদা মুনীর :  আজকের দিনে নুডুলস সকলেরই প্রিয় খাবার। কারণ, এটি কম সময়ে, কম পরিশ্রম তৈরি করে ফেলা যায়। শুধু সময়ই বাঁচায় না, স্বাদেও চমৎকার। সবজি, মাংস মিশিয়ে পুষ্টির চাহিদাও মিটিয়ে ফেলা যায় খুব সহজে। শহরের রেস্তোরাঁগুলোতে বিভিন্ন স্বাদের ইনস্ট্যান্ট নুডুলস পাওয়া যায়। যাইহোক, নুডুলস খেতে ভালোবাসেন ঠিকই কিন্তু নুডুলস সম্পর্কে এই বিস্ময়কর তথ্য। জাপানের ওসাকায় ইনস্ট্যান্ট কাপ নুডুলসের একটি জাদুঘর আছে। এটিকে বলা হয় ‘দ্য কাপ নুডুলস মিউজিয়াম’। আর এটি নিবেদিত মোমোফুকুর ইনস্ট্যান্ট নুডুলস আবিষ্কারের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখার উদ্দেশ্যে। এই জাদুঘরে ৫,৪৬০ টি ফ্ল্যাভারের নুডুলস পাওয়া যায়।

অধিকাংশ জাপানী মনে করে নুডুলস তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। সারা বিশ্বকে অসাধারণ সব টেকনোলজি উপহার দিয়েছে জাপান। যে সব ইলেকট্রনিক পণ্যের পেছনে ‘মেইড ইন জাপান’ লেখা থাকে সেগুলো সম্পর্কে আমরা নিশ্চিন্ত থাকতে পারি ওটার মান নিয়ে। কিন্তু বিস্ময়কর তথ্য হচ্ছে একটা জরিপে দেখা গেছে অধিকাংশ জাপানি মনে করে ইনস্ট্যান্ট নুডুলসই তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার।

প্রথম দিকে ইনস্ট্যান্ট নুডুলস সুপারমার্কেটের একটি বিলাসি আইটেম হিসেবে বিবেচনা করা হত।  ১৯৫৮ সালে জাপানের মোমোফুকু অন্দো প্রথম চিকেন ইনস্ট্যান্ট নুডুলস তৈরি করেন। যা খুব সহজে রান্না করা যায়। আর এটি জাপানের সুপারস্টোরগুলোতে বেশি দামে বিক্রী হতো।

রাইকার্স কারাগারে বিক্রিত সেরা আইটেম। নিউইয়র্কে রাইকার্স দ্বীপে অবস্থিত কারাগারের বন্দীদের কাপে ভরা ইনস্ট্যান্ট নুডুলস খুব প্রিয় খাদ্য। নিউইয়র্ক পোস্ট জানায়, বন্দীরা অন্যান্য খাবার থেকে ৩৫ সেন্টের বিনিময়ে এককাপ নুডুলস পেতেই বেশি আগ্রহী।

মহাকাশে গ্রথম ইনস্ট্যান্ট নুডুলস। মোমোফুকু অন্দো মহাকাশে খাওয়ার জন্য ২০০৫ সালে একধরণের ইনস্ট্যান্ট নুডুলস তৈরি করেন তার মৃত্যুর দুই বছর পূর্বে। এটার নাম ছিলো ‘স্পেইস রাম’। সূত্র : এপি