উৎপাদিত বিদ্যুতের দাম পড়বে অত্যাধিক বেশি, যা গোপন করা হচ্ছে

গোলাম মর্তুজা: ১ লক্ষ ১৪ হাজার কোটি টাকার পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প। এর প্রায় পুরোটাই রাশিয়ার থেকে নেওয়া ঋণ। বর্জ্য সংরক্ষণ চুক্তির প্রেক্ষিতে বাড়তি ঋণ নিতে হবে। অনিবার্যভাবে প্রকল্পের মেয়াদ কয়েক দফা বাড়বে। আরও ত্রিশ চল্লিশ বা পঞ্চাশ হাজার কোটি বা তার চেয়ে বেশি ঋণ নেওয়া হবে।

প্রায় দেড় লক্ষ কোটি টাকা ৩ শতাংশ হারে সুদসহ পরিশোধ করতে হবে। উৎপাদিত বিদ্যুতের দাম পড়বে অত্যাধিক বেশি, যা এখন গোপন করা হচ্ছে। দাম বিষয়ে ভুল বা অসত্য তথ্য জানানো হচ্ছে। পুরোপুরিভাবে নির্ভর করতে হবে বিদেশিদের উপর। কারণ বাংলাদেশের এবিষয়ক কোনও লোকবল নেই। ইলেকট্রিশিয়ান না যে, কয়েকদিন ট্রেনিং দিয়ে লোক তৈরি করে ফেলা যাবে।এটা শতভাগ বিদেশ নির্ভর প্রকল্প। দুর্ঘটনার সম্ভাবনার কথা বাদই দিলাম।

বিদ্যুৎ অবশ্যই দরকার। কিন্তু এই দের লক্ষ কোটি টাকা দিয়ে আর কোন প্রক্রিয়ায় সমপরিমান বা তার চেয়ে বেশি এবং কম ঝুঁকিরূর্ণ উপায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যেত, তা বিবেচনাতেই নেওয়া হয়নি।

৬০/৭০ টাকা কেজি চাল, ৯০/১০০ টাকা কেজি পেঁয়াজ,৭০/৮০/১০০ টাকা কেজির নিচে সবজি নেই। এখনই বাংলাদেশের প্রতিজন মানুষের ঋণ ৪৬ হাজার টাকা। এর সঙ্গে একখাত থেকেই আরও প্রায় দের লাখ কোটি টাকা যোগ হবে।

বিদ্যুৎ লাগবেই তো বুঝলাম, কত দামে- কিসের বিনিময়ে?

 

ফেসবুক থেকে