ভিয়েনায় আনন্দ সমাবেশে শিল্পমন্ত্রী

নিজেস্ব প্রতিদিধি ভিয়েনা (অষ্ট্রিয়া) থেকে: বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর ওয়াল্ডর্স ডকুমেন্টারি হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় অস্ট্রিয়া প্রবাসী বাঙালিরা ভিয়েনায় ২৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় এক আনন্দ সমাবেশ করে। ভিয়েনার প্যান এসিয়া হলে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ সরকারের শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সর্বইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, অষ্ট্রিয়া প্রবাসী মানবাধিকার কর্মী, লেখক, এম. নজরুল ইসলাম। অষ্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের উদ্দোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনের সভাপতি খন্দকার হাফিজুর রহমান নাসিম। সঞ্চালনা করেন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম কবির।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, ‘১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ নির্ধারিত সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির হাজার বছরের মুক্তির স্বপ্ন নিয়ে বিক্ষোভে উত্তাল রেসকোর্সের লাখো জনতার সভামঞ্চে এসে উপস্থিত হন। বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণে পাকিস্তানের ২৩ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাস, পাকিস্তান রাষ্টের সঙ্গে বাঙালিদের দ্বন্দ্বের স্বরূপ তুলে ধরেন। শান্তিপূর্ণভাবে বাঙালিদের অধিকার আদায়ের চেষ্টার কথা বলেন।’ শিল্পমন্ত্রী বলেন,‘সবশেষে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানি ঔপনিরেশিক শাসন-শোষণের শৃঙ্খল ছিন্ন করে স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে চ’ড়ান্ত সংগ্রামের আহবান জানান। বঙ্গবন্ধুর এই আহবানে সাড়া দিয়ে আমাদের স্বাধীনতা অর্জনে ৩০ লাখ মানুষ আত্মোৎসর্গ করেন, যা বিশ্ব ইতিহাসে নজিরবিহীন।’

সমাবেশে এম. নজরুল ইসলাম ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ছিল বাংলাদেশ সৃষ্টির প্রণোদনা। এই উদ্দীপনাময় ভাষণটি মুহূর্তে বাঙালিদের নবচেতনায় জাগিয়ে তুলে অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে তাদের প্রস্তুত করেছিল।’