সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি কমেছে

সাইদ রিপন : সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি কমেছে। অর্থবছরের শুরু থেকে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে ধারাবাহিকভাবে। গত এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি হয়েছে সেপ্টেম্বরে, ৬ দশমিক ১২ শতাংশ। আর সর্বশেষ অক্টোবর মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ।
গতকাল রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা শেষে মূল্যস্ফীতির এ হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) নিয়মিতভাবে এ তথ্য হালনাগাদ করে থাকে। মন্ত্রীর আশা, শীত পড়তে শুরু করলে মূল্যস্ফীতির প্রবণতা আরও নিম্নমুখী হবে। শীতের ফসল ঘরে তোলা শেষ হলে এবং সবজি বাজারে আসলে মূল্যস্ফীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। মন্ত্রী জানান, অর্থবছররের প্রথম মাস জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ। আগস্ট মাসে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়ায় ৫ দশমিক ৮৯ শতাংশে। সেপ্টেম্বরে পণ্যমূল্য বেড়ে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতি হয় ৬ দশমিক ১২ শতাংশ। তিনি বলেন, প্রলম্বিত বর্ষার কারণে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। তাই ওই সময়ের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। প্রাকৃতিক দুর্যোগে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে সমন্বয় না করতে পারায় মূল্যস্ফীতি বেড়ে যায়। তবে আমাদের ভয় ছিল মূল্যস্ফীতি আরও অনেক বেশি বাড়বে। বর্তমানে সরবরাহ চেইন স্বাভাবিক হয়ে আসছে। তাই আগামী মাসগুলোতে মূল্যস্ফীতি কমে আসবে। আশা করছি অর্থবছর শেষে মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রার মধ্যেই থাকবে। উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছর গড় মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৫০ শতাংশের মধ্যে রাখার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। সম্পাদনা : উম্মুল ওয়ারা সুইটি