স্মার্ট সিটি বদলাতে পারে জনজীবন

আরিফুর রহমান তুহিন: বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। একই সাথে বাড়ছে মানুষের শহরমূখী হওয়ার প্রবণতা। ফলে শহরের উপর চাপ বাড়ছে। এতে থমকে দাড়িয়েছে নগরীর জনজীবন। এমতাবস্থায় স্মার্ট সিটি বদলাতে পারে জীবন ব্যবস্থা। এমনটাই মনে করেন নগর বিশেষজ্ঞরা। আর এই ব্যবস্থায় কাজ করতে চায় বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি এফবিসিসিআই। মঙ্গলবার রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে বিজনেস কনসেপচুয়ালাইজেশন অব স্মার্ট সিটি: স্মার্ট সলিউশন টু আরবান ইনফাসট্রাকচার অ্যান্ড ট্রাফিক শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে একথা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধে জানানো হয়, ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৭০ ভাগ শহরে বসবাস করবে। এতে চাপ অনেক বেড়ে যাবে। তবে আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে এই সমস্যা অনেকটাই সমাধান সম্ভব। স্মার্ট শলিউশনের মাধ্যমে যানবাহনের গড় গতি ২৭ কিমি. পর্যন্ত নিয়ে আসা যায়। বর্তমানে ঢাকা শহরের যানবাহনের গড় গতি ৬.৫ কিমি.। অনুষ্ঠানে আরো জানানো হয়, বিশ্বের বভিন্ন দেশ এমনকি আমদের প্রতিবেশি ভারতের পুনে স্মার্ট সিটির মাধ্যমে নাগরিকদের সুবিধা দিচ্ছে। এই ব্যবস্থায় ট্রাফিক, নিরাপদ পানি, বিদ্যুৎ ও শুয়ারেজ লাইনের পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ফলে নাগরিক জীবন আরো উন্নত হয়েছে।
বেসিসের একটি ডকুমেন্টরীতে দেখানো হয়, উন্নত দেশগুলো প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে মানুষের নিরাপত্তা দিচ্ছে। আধুনিক সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে মানুষের ভিড়ের মধ্যে সন্দেহজনক কিছু থাকলে তা খুজে বের করা সম্ভব। এমনকি চলন্ত গাড়ির ভিতরে আধুনিক সিসি ক্যামেরা স্কান করতে সক্ষম।
ঢাক মেট্রপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সহকারী কমিশনার মুসলেহ উদ্দিন জানান, তারা ইতিমধ্যে ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আধুনিক করার জন্য কাজ শুরু করেছেন। তথ্য-প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে যানজটকে সহনীয় করার জন্য কাজ করছে ট্রাফিক পুলিশ।
এফবিসিসিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম জানান, তারা প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ঢাকাকে আধুনিক করতে চায়।এজন্য সকলের সাথে আলোচনা করে পদক্ষেপ নিবে।