জেনারেল জিয়ার মরনোত্তর বিচার ছাড়া জাতির কলঙ্কতিলক মুছবে না

নজরুল ইসলাম ভিয়েনা থেকে: জেলহত্যা দিবসে শহীদ মহান চার নেতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অষ্ট্রিয়া প্রবাসী মানবাধিকার কর্মী, লেখক, সাংবাদিক এম. নজরুল ইসলাম। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বিশ্বমানবতা ও গণতন্ত্রের ইতিহাসে জঘন্যতম কলঙ্কময় ঘটনা ঘটিয়েছিল গণদুশমনেরা। র্নিমমভাবে তারা হত্যা করেছিল জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে। এই চার নেতা ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সংগঠক এবং পরিচালক। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তির অন্বেষায় তাঁরা যেভাবে কাজ করেছেন তা জাতি ভুলবে না। জাতিকে কেউ ভুলাতেও পারবে না।
তিনি বলেন, জেলখানায় জাতীয় চার নেতা হত্যার পরে লালবাগ থানায় ৪ নভেম্বর ‘৭৫ একটি মামলা দায়ের করে জেল কর্তৃপক্ষ। ৬ নভেম্বর ‘৭৫ বিচারপতি আহসানউদ্দিন চৌধুরী, বিচারপতি কে এম সোবহান ও বিচারপতি মোহম্মদ হোসেন সমন্বয়ে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরে এই তদন্ত কমিটির কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেন জেনারেল জিয়াউর রহমান।

এম. নজরুল ইসলাম বলেন, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড, ৩ নভেম্বর জেলখানায় জাতীয় চার নেতা হত্যা, একাত্তর ও পঁচাত্তরের ঘাতকদের পুনর্বাসন, মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিনাশ এবং জেনারেল জিয়ার ক্ষমতারোহন-এইসব বিশ্লেষণে এটা পরিস্কার যে জাতির জনক হত্যা ও জাতীয় চার নেতা হত্যার মূল নায়কদের অন্যতম একজন হলেন জেনারেল জিয়াউর রহমান। ইতিমধ্যে জিয়ার মরনোত্তর বিচারের দাবি উঠেছে। আমরা প্রবাসীরাও এই দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করে বলছি জিয়ার মরনোত্তর বিচার ছাড়া জাতির কলঙ্কতিলক মুছবে না।