‘রাজধানীকে উন্নত নগরী করতে চাইলে নিজেদের শৃঙ্খলে আনতে হবে’

বিআরটিএ গঠিত সিটিং সার্ভিস বিষয়ক কমিটির সদস্য অজয় দাশগুপ্ত বলেন, আমরা রাজধানীকে একটা আধুনিক শহর চায়বো আবার বিশৃঙ্খলভাবে চলব। এটা কতদিন চলবে। দেড় কোটি লোকের বসবাস রাজধানীতে অব্যশই শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। আমাদের ভালোভাবে চলার স¦ার্থেই নিয়ম মেনে চলতে হবে। আপনি মনে করবে কেউ কিছু বলবে না যেভাবে চলছে চলুক তাহলে হবে না

শবনম আযীমের সঞ্চালনায় একাত্তর টেলিভিশনের নিয়মিত অনুষ্ঠানে একাত্তর জার্নালে তিনি একথা বলেন। এছাড়া ছিলেন এবিসি নিউজ২৪ ডটকমের প্রধান সম্পাদক সুভাষ সিংহ রায়।

অজয় দাশগুপ্ত বলেন, রাজধানীতে সিটিং সার্ভিস একটা অপরিহার্য বিষয়। এটা লাগে কারণ অফিসের যাত্রী, স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের, সাধারণ জনগণ যাতায়েতে সিটিং সার্ভিস ব্যবস্থা প্রয়োজন। তাই এটি থাকবে একটা নিয়ম শৃঙ্খলা মধ্যে দিয়ে চলবে। প্রথমত, একটা কোম্পানিকে আগে বলতে হবে কয়টা সিটিং সার্ভিস থাকবে আর কতটা ননসিটিং থাকবে। নন সিটিংকে হঠাৎ করে সিটিং করতে পারবে না। সিটিং সার্ভিসের পৃথক রং থাকবে। স্টোপেজ ছাড়া যদি মাঝ পথে কোন স্টোপেজ দেয় তাহলে যাত্রীদের থেকে পুরো ভাড়া নেওয়া যাবে না। মাঝ পথে নেমে যাওয়ার জন্য যাত্রীর কাছ থেকে মাঝ পথের ভাড়া নিবে। এসব সুপারিশ আমরা করেছি। এছাড়া রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থা জন্য কিছু সুপারিশ করেছি। বাসের জন্য পৃথক লেন। ওই লেন দিয়ে শুধু গণপরিবহন চলবে কোন ভিআইপির গাড়ি চলবে না। রাজধানীর শত শত বাস সার্ভিসকে কয়েকটা কোম্পানিতে নিয়ে আসতে হবে। কারণ শত শত বাস মালিকের জন্য নীতিমালা তৈরি করা কঠিন। আধুনিক পদ্ধতিতে ভাড়া প্রদানের ব্যবস্থা করা।

এক প্রশ্নের জবাবে অজয় দাশগুপ্ত বলেন, আমরা রাজধানীকে একটা আধুনিক শহর চায়বো আবার বিশৃঙ্খলভাবে চলব। এটা কতদিন চলবে। দেড় কোটি লোকের বসবাস রাজধানীতে অব্যশই শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। আমাদের ভালোভাবে চলার স¦ার্থেই নিয়ম মেনে চলতে হবে। আপনি মনে করবে কেউ কিছু বলবে না যেভাবে চলছে চলুক তাহলে হবে না। নিজেদের শৃঙ্খলের মধ্যে আনতে হবে ভালোভাবে বসবাস যোগ্য নগরী করতে হলে।