আমতলীতে ৭ দিনে নিউমোনিয়ার আক্রান্ত ১৪ জন

জয়নুল আবেদীন, আমতলী (বরগুনা) : বরগুনার আমতলী উপজেলায় নিউমোনিয়া রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পরছে। গত ৭ দিনে আমতলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৪ জন আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছে। তবে বিভিন্ন গ্রামে শতাধিক শিশু আক্রান্ত হয়েছে বলে একাধিক সূত্র থেকে জানাগেছে।

আমতলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে এন্টিভায়েটিক ইনজেকশন নেই। এতে ভোগান্তিতে পরছে রোগীর স্বজনরা। রোগীর স্বজনদের বাহির থেকে এন্টিভায়েটিক ইনজেকশন আনতে হচ্ছে।

আমতলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় গত ৭ দিনে নিউমোনিয়াতে ১৪ শিশু আক্রান্ত হয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে।

উপজেলার সদর ইউনিয়ন, চাওড়া, হলদিয়া ও কুকুয়া ইউনিয়নে ডায়েরিয়া ও নিউমোনিয়ার প্রকোপ বেশী দেখা যাচ্ছে। হাসপাতালের জরুরী বিভাগ ও পরিসংখ্যান বিভাগের আক্রান্তের সংখ্যায় গড়মিল রয়েছে।

সরকারীভাবে আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ জন হলেও বে-সরকারী ভাবে আক্রান্তের রোগীর সংখ্যা শতাধিকের বেশী বলে স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে। প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ রোগী স্থানীয় গ্রাম্য চিকিৎককের কাছে চিকিৎসা নিচ্ছে। এদিকে আমতলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে এন্টিভায়েটিক ইনজেকশন নেই।

এতে ভোগান্তিতে পরছে রোগীর স্বজনরা। রোগীর স্বজনদের বাহির থেকে এন্টিভায়েটিক ইনজেকশন আনতে হয়। মঙ্গলবার আমতলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে দেখাদেছে, ১০ জন শিশু নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেডে চিকিৎসা নিচ্ছে। নীলগঞ্জ গ্রামের আয়শা খাতুন বলেন নিমোনিয়ায় আক্রান্ত আমার ৬ মাসের শিশু কন্যা হাদিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি।

তিনি আরো বলেন হাসপাতাল থেকে শুধু সুই ছাড়া আর কিছুই পাচ্ছি না। নিউমোনিয়ার এন্টিভায়েটিক ইনজেকশন বাহির থেকে আনতে হয়।

ছোটনীলগঞ্জ গ্রামের রাবেয়া আক্তার তার ৪ মাসের শিশু পুত্র আবদুল্লাহকে গত রবিবার হাসপাতালে ভর্তি করেছে। সে অভিযোগ করে বলেন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত আমার শিশুপুত্রকে হাসপাতাল থেকে কিছু দিচ্ছে না। সকল ঔষধ বাহির থেকে আনতে হচ্ছে। কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী গ্রামের সুলতানা বেগম বলেন আমার ৬ মাসের বয়সের তাসমিনকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। কিন্তু হাসপাতাল থেকে কোন ঔষধ পাচ্ছি না।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য প্রশাসক ডাঃ এমএ মতিন বলেন নিউমোনিয়া প্রভাব সব সময়ই থাকে। আমরা রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছি।