লংগদুতে বইছে শান্তির সুবাতাস

আমাদের সময়.কম
প্রকাশের সময় : 13/10/2017 -2:36
আপডেট সময় : 13/10/ 2017-2:36

ডেস্ক রিপোর্ট : দীর্ঘ সাড়ে ৪ মাস পর শান্তির সুবাতাস বইছে রাঙামাটির লংগদু উপজেলায়। ঘরে ফিরছে পাহাড়ি-বাঙালীরা। স্বস্তি দেখা দিয়েছে জনমনে। একে অপরের প্রতি ফিরছে আস্থা ও বিশ্বাস। তাই স্থানীয় পাহাড়ি-বাঙালীদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মিল বন্ধন রচনা করতে খুব বেশি সময় লাগবে না বলে মনে করছে স্থানীয় প্রশাসন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২ জুন যুবলীগ নেতা খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে লংগদু উপজেলায় দেখা দেয় দুর্বৃত্তায়ন। সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের সহিংসতার আগুনে পুড়ে যায় লংগদু উপজেলার তিনটিলা, মানিকজোড় ছড়া ও বাট্টাপাড়া গ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের বাড়ি-ঘর। সে সময় অনেকে বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো অভিযোগ তুলে স্থানীয় বাঙালীদের বিরুদ্ধে। সে ঘটনায় একে অপরের প্রতি আস্থাহীন হয়ে পড়ে স্থানীয় পাহাড়ি-বাঙালীরা।

এদিকে, লংগদু উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিকারগুলো পুর্নবাসনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বিশেষ প্রকল্প।

সে প্রকল্পের আওতায় নতুন বাড়ি-ঘর নির্মাণে প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়ে বলে জানিয়েছেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান।

তিনি বলেন, আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে লংগদু উপজেলার তিন গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর বাড়ি-ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে। এছাড়া এক বছর পর্যন্ত সরকারিভাবে ২২৪টি পরিবারকে ৩০ কেজি চাল ও ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হবে।

অন্যদিকে, ওই ঘটনার পর থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ঠিকানা ছিল- আশ্রয় কেন্দ্রে, ভাড়া বাসায় ও আত্মীয়-স্বজনদের বাড়ি। কিন্তু সরকারি সহায়তা পাওয়ার পর আবার নিজ নিজ বসত ভিটায় ফিরতে শুরু করেছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। কেউ কেউ চালা ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছে পুরা ভিটেতে। তাদের দাবি শীত মৌসুমের আগেই নির্মাণ করে দেওয়া হোক তাদের বাড়ি-ঘর।

এ ব্যাপারে লংগদু আটারকছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মঙ্গল কুমার চাকমা জানান, গৃহহীন মানুষগুলো এখনো মানবেতর জীবনযাপন করছে। শীত মৌসুমে এ অবস্থায় থাকলে তাদের অবস্থা আরও খারাপ হতে পারে। তাই সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর বাড়ি-ঘর দ্রুত নির্মাণ কাজ শুরু করা হলে, শীত মৌসুমে এসব মানুষগুলো একটু স্বস্তিতে বসবাস করতে পারবে।

তবে লংগদু সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন বলছেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারিভাবে বিভিন্ন সাহায্য-সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছিল। নিয়মিত খবর রেখেছে স্থানীয় প্রশাসনও। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বরাদ্দ দিয়েছিল। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে শিক্ষার্থীদের বই খাতাসহ সব সহায়তা দেওয়া হয়েছিল। এখন সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে তাদের ঘর নির্মাণের জন্য টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র : বিডি প্রতিদিন

এক্সক্লুসিভ নিউজ

২০ মাসেও প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন মেলেনি, ২০ হাজার কর্মচারীর পেনশন স্থগিত

হুমায়ুন কবির খোকন : অর্থবিভাগ হতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো প্রস্তাব... বিস্তারিত

বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন দেশীয় উদ্যোক্তারা

হাসান আরিফ: বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক বা আঞ্চলিক মানে পৌঁছে... বিস্তারিত

আয়ারল্যান্ডে হারিকেন ঝড় অফেলিয়ায় নিহত ৩

আহমেদ সুমন : ব্রিটিশ দীপপুঞ্জে আঘাত হেনেছে হারিকেন অফেলিয়া। এতে... বিস্তারিত

ভারতীয়দের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য চলে যাচ্ছে পাকিস্তানে!

আশিস গুপ্ত, নয়াদিল্লি : সরকার যতই বলুক না কেন, নাগরিকদের... বিস্তারিত

বেশি দিন নাই, ভারতের নামই বদলে দেবে বিজেপি : মমতা

পরাগ মাঝি : ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি নেতা সঙ্গীত সোম তাজমহলকে... বিস্তারিত

উত্তরায় ২৫০ অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ

নুরুল আমিন হাসান: রাজধানীর উত্তরার হাউজ বিল্ডিং থেকে সোনারগাঁও জনপদ রোডের ১২৭ নং... বিস্তারিত





আজকের আরো সর্বশেষ সংবাদ

Privacy Policy

credit amadershomoy
Chief Editor : Nayeemul Islam Khan, Editor : Nasima Khan Monty
Executive Editor : Rashid Riaz,
Office : 19/3 Bir Uttam Kazi Nuruzzaman Road.
West Panthapath (East side of Square Hospital), Dhaka-1205, Bangladesh.
Phone : 09617175101,9128391 (Advertisement ):01713067929,01712158807
Email : [email protected], [email protected]
Send any Assignment at this address : [email protected]