আরো ৬টি কোল্ড স্টোর নির্মাণের প্রস্তাব

মতিনুজ্জামান মিটু: ষাট হাজার মেট্রিক টন আলু বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণের লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন আরো ৬টি কোল্ড স্টোর নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছে। ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, ভোলা, নিলফামারি, জয়পুরহাট ও দিনাজপুরে ওই কোল্ড স্টোরগুলো তৈরি করা হবে। এসব কোল্ড স্টোর নির্মাণের জন্য প্রতিটি ৩ কোটি টাকা হারে মোট ১৮ কোটি টাকা খরচ ধরা হয়েছে। জিওবি এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের অর্থায়নে কোল্ড স্টোরগুলো করা হয়।

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) এর বীজ উৎপাদন বিভাগের অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক (সিডিপি ক্রপস) মো. ইকবাল হোসেন বলেন, একই উদ্দেশ্যে বিগত ৫ বছরে দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন ১০টি কোল্ড স্টোর নির্মাণ করে তাতে উৎপাদিত আলু সংরক্ষণ করা হয়েছে।

ঢাকার মিরপুর, মুন্সিগঞ্জ, মধুপুর, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া, দত্তনগর, কুড়িগ্রাম, পঞ্চগড়, বরিশাল ও গোপালগঞ্জে এ কোল্ড স্টোরগুলো তৈরী করে বীজ মজুদ করা হচ্ছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগের অভাবে বরিশালের কোল্ড স্টোরটি চালু করা সম্ভব হয়নি। এই অঞ্চলের আলু বীজ গোপালগঞ্জ কোল্ড স্টোরে রাখা হয়েছে। নতুন কোল্ড স্টোরগুলোর প্রতিটির ধারণ ক্ষমতা ২০০০ মেট্রিক টন।

এ কোল্ড স্টোরগুলোর ৪টি মানসম্মত বীজ সরবরাহ বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতায়, ৪টি কন্দল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায়, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ প্রতিশ্রুতি প্রকল্পের আওতায় কুড়িগ্রামে ১টি এবং দশমিনা বীজ বর্ধন প্রকল্পের আওতায় ১টি নির্মাণ করা হয়। এ কোল্ড স্টোরগুলো নির্মাণ করতে প্রতিটি ২ কোটি টাকা হারে মোট ২৫ কোটি টাকা খরচ হয়।

অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক মো. ইকবাল হোসেন আরো বলেন, আগের ১০ টি কোল্ড স্টোরের ধারণ ক্ষমতা মাত্র ২৫হাজার মেট্রিক টন। পুরানো এবং নতুন মিলিয়ে এখন কোল্ড স্টোরগুলোর ধারণ ক্ষমতা দাড়িয়েছে ৪ মেট্রিক টন।

দেশে মানসম্মত আলু বীজের চাহিদা মেটাতে আমরা নানা উদ্যোগ নিয়েছি এবং নিচ্ছি। এলক্ষে মান সম্পন্ন বীজ আলু উৎপাদন ও সংরক্ষণ এবং কৃষক পর্যায়ে বিতরণ জোরদার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। জুলাই ২০১৭ তে শুরু হওয়া এই প্রকল্পটি ২০২২ সালের জুন মাসে শেষ হবে।