সিনেট গঠন নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের পর ঢাবি কী করবে

ডেস্ক রির্পোর্ট : ‘যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে’ আগামী ছয় মাসের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আদালত যে নির্দেশ দিয়েছে সে অনুযায়ী এখনই কোন উদ্যোগ গ্রহণ করছে না কর্তৃপক্ষ।

পুর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার পরই পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন ঢাবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আখতারুজ্জামান।

রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচন না করেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট কর্তৃক নির্বাচিত তিন সদস্যের প্যানেল এবং এ নির্বাচনের জন্য ডাকা বিশেষ সভাকে অবৈধ ঘোষণা করে গত মঙ্গলবার রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় এখনই কিছু বলতে চান না সাময়িকভাবে নিয়োগ পাওয়া উপাচার্য।

এ বিষয়ে তিনি বলেন: আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় এখনও আমাদের হাতে এসে পৌঁছেনি। রায় হাতে পাওয়ার পর তা পুরোপুরি পড়তে হবে। এরপর আদালতের রায় ও পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনি কাঠামোর মধ্য থেকেই আমাদের করণীয় ঠিক করবো।

এ বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রুলের নিষ্পত্তি করে মঙ্গলবার রায় দেন বিচারপতি জিনাত আরা ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে হাই কোর্টে এ বিষয়ে শুনানি করেন কামরুল হক সিদ্দিকী। আর রিট আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান।

এর আগে আপিল বিভাগ সিনেটে মনোনীত ওই তিন সদস্যের প্যানেল নিয়ে পরবর্তী কার্যক্রম স্থগিত করে হাইকোর্টে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছিল। আর রুল নিষ্পত্তির আগ পর্যন্ত তখনকার উপাচার্যই বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে যাবেন বলে সেই আদেশে জানানো হয়।

কিন্তু রুল নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই ১৯৭৩ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশের ১১ (২) ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্যানেলের বাইরে থেকে অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানকে উপাচার্যের দায়িত্ব দেন।

সূত্র : চ্যানেলআই অনলাইন