রাবি রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

রফিক আহমেদ : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) রিপোর্টার্স ইউনিটির ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু ভবনে রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যালয়ে কেক কেটে ও ফেস্টুন উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা।

এরপর রাকসু ভবনের সামনে থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস্ কমপ্লেক্সের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সকাল সাড়ে ১০টায় ডিনস্ কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষে উদ্বোধনী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, বাংলাদেশকে নিয়ে চক্রান্ত চলছে। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতার বিষ বাষ্প ছড়িয়ে দিতে চক্রান্ত করা হচ্ছে। মুক্তিযদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিগুলোর মধ্যে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিগুলোও ঢুকে যাচ্ছে। এখন আমাদের দায়িত্ব হবে স্বাধীনতার স্বপক্ষের সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই অপশক্তিদের বিরদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর।

এ সময় সভায় বিশিষ্ট সমাজসেবক মিজানুর রহমান বিটু বলেন, গণমাধ্যম হল সমাজের দর্পন। একটি সংবাদ একটি সমাজের সিনারিও বদলে দিতে পারে। তাই রাষ্ট্রে তাদের গুরুত্ব অনেকখানি। তারা নানা প্রতিকূলতার মধ্যে কাজ করেন। তারপরও তাদের কাজ করে যেতে হয়।

রাবি রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক হুসাইন মিঠুর সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা, জনসংযোগ দফতর প্রশাসক অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকার, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাজী শাহেদ ও রাবি রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়শ্রী ভাদুড়ী।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন-প্রক্টর অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান, সহকারী প্রক্টর শিবলী ইসলাম, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নিজস্ব প্রতিবেদক রফিকুল ইসলাম রনি, যমুনা নিউজের রাজশাহী ব্যুরো চিফ শিবলী নোমান, সোনালী সংবাদের নির্বাহী সম্পাদক মাহমুদ জামান কাদেরী, সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য জাবেদ অপু প্রমুখ।

উদ্বোধনী আলোচনা শেষে সয়মড়ঠযভা বেলা সাড়ে ১২ টায় একই ভেন্যুতে জাতীয় নেতা শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান ও রাজশাহীর গণমাধ্যম শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন-রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এসময় খায়রুজ্জামান লিটন ও সমাজসেবক বিটুকে রাবি রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।