শহীদ মিনারে কমরেড জসিমের কফিনে শ্রদ্ধা

ছবি : ডালিম

বৃটিশবিরোধী আন্দোলন, শ্রমিক আন্দোলনের প্রখ্যাত নেতা ও বিশিষ্ট প্রগতিশীল রাজনীতিবিদ জসিম উদ্দীন মণ্ডলের কফিনে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন সর্বস্তরের মানুষ।

মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তার মরদেহ নিয়ে আসা হলে সবাই ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়।

এ সময় ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অনারারি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনোয়েদ সাকী প্রমুখ।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, জসিম উদ্দীন মণ্ডল জনদরদী মানুষ হিসেবে বাংলাদেশের সমাজ প্রগতির অব্যাহত কর্মকাণ্ড বিশেষ ভূমিকা রেখে গেছেন। প্রগতিশীল আন্দোলন-সংগ্রামে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আরেফিন সিদ্দিক বলেন, তিনি প্রগতিশীল মানুষ ছিলেন। শ্রমিকদের উন্নয়নের জন্য কাজ করে গেছেন। তার প্রগতিশীল চেতনা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিবে।

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানী বলেন, প্রগতিশীল মানুষদের মধ্যে তিনি দৃষ্টান্ত ছিলেন। তিনি তার রাজনৈতিক দর্শন থেকে বিন্দু মাত্র সরেন নাই। তার অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে অনেক বেশি প্রভাবিত করছে। তিনি আমাদের মাঝে চিরঞ্জীব হয়ে থাকবেন।

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, তিনি সারাজীবন পার্টির প্রতি আনুগত্যশীল ছিলেন। কাজ করেছেন কৃষক-শ্রমিকদের স্বার্থে। পার্টি যদি বাস্তবসম্মতভাবে তার রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে কাজ করতো তাহলে অবশ্যই রাষ্ট্রক্ষমতায় গিয়ে অনেক ভালো করতো।

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, তিনি অনেক বড় মাপের নেতা ছিলেন। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমার সঙ্গে ঘনিষ্টতা ছিল না। তবে ওনার রাজনৈতিক দর্শনকে শ্রদ্ধা জানাই।