সিভিল এভিয়েশনে ভবন ডেকোরেশনের নামে কোটি কোটি টাকা ব্যয়

এইচএম দেলোয়ার : সিভিল এভিয়েশনে পুরনো ভবন ডেকোরেশনের নামে অপ্রয়োজনীয় খাতে সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ের ব্যাপারে তদন্তে নেমেছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রনায়।

গত ১১ জুলাই এ সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত চেয়ে মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব মফিজুল ইসলাম পাটওয়ারী সিএএবির চেয়ারম্যানকে এক দাপ্তরিক চিঠি দিয়েছেন। যার স্মারক নং-৩০.০০.০০০.০১৩.২৭.০০২.২০০৬-২৫৬ তারিখ: ১১-০৭-২০১৭। এ দিকে সিএটিসিতে টেন্ডার ছাড়াই লিফট বসানোর ঠিকাদারি কাজ চলছে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন “ আমাদের সময় ডটকমে গত ১৫-০৪-২০১৭ তারিখে “ সিভিল এভিয়েশনের পুরনো ভবন ডেকোরেশনের নামে সরকারি টাকা ব্যয়” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদন প্রকাশের পর সিএএবির সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এহছানুল গনি চৌধুরি কাজ বন্ধ না করে টেন্ডার ছাড়াই অপ্রয়োজনীয় খাতে সরকারি টাকা ব্যয় করতে থাকেন। নতুন চেয়ারম্যার সিএএবিতে যোগদানের পর এ ধারা অব্যাহত থাকবে কিনা তা নতুন চেয়ারম্যান সিদ্ধান্ত নেবেন বলে সিএএবি সূত্রে জানা গেছে।

খবর নিয়ে জানা যায়, ঠিকাদার শিপন টেন্ডার ছাড়াই ভবন ডেকোরেশনের কাজ করছে এবং কাজ শেষ হওয়ার পর ওই কর্মকর্তা প্রধান প্রকৌশলীকে তার দপ্তরে ডেকে পাঠিয়ে টেন্ডারের ব্যবস্থা করছেন। সিএএবির সিএটিসিতে ভবন ডেকোরেশনের অংশ হিসেবে রুমের দরজা কম দামি কাঠ দিয়ে করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পরিচালক সিএটিসি। তিনি আলাপচারিতায় বলেন , দুই নম্বরি কাঠ দিয়ে দরজা বানানোর ফলে ফাককুন্দা পড়ে গেছে। পরিচালক সিএটিসি অভিযোগ করার পর ঠিকাদার দরজাগুলো ঘষে-মুছে পরিষ্কার করে রংচং করেছে বলে জানা গেছে।

টেন্ডার ছাড়াই সিএটিসিতে লিফটের কাজ!
ভবন ডেকোরেশনের পর এবার টেন্ডার ছাড়াই সিভিল ডিভিশন-২ এর অধীনে সিএটিসিতে লিফটের ঠিকাদারি কাজ চলছে। ঠিকাদার শিপন ও খোকন এ কাজ করছে বলে সিএটিসি সূত্রে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে কথা বলতে নির্বাহী প্রকৌশলী সিডি-২ মো. শহিদুজ্জামানের দপ্তরে একাধিকবার গিয়েও তিনি অফিসে না থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সূত্রে জানা গেছে, সিএটিসিতে আভ্যন্তরীর কেনাকাটার নামে অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি টাকা লুটপাট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। সিএটিসিতে কর্মরত মিয়াজিসহ দুই কর্মকর্তা এর সাথে সরাসরি জড়িত বলে সূত্রে জানা গেছে।