বিএসএমএমইউর ক্যান্টিনে ‘মুরগির পঁচা কাঁচা মাংস’ নিয়ে ধূম্রজাল

আমাদের সময়.কম
প্রকাশের সময় : 13/09/2017 -21:08
আপডেট সময় : 13/09/ 2017-21:08

রিকু আমির : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) টিএসসি ক্যান্টিনে ধরা পড়া ‘মুরগির পঁচা কাঁচা মাংস’ নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনা সম্পর্কে জ্ঞাতরা বলছেন- প্লাস্টিকের বস্তার মধ্যে গরু ও মুরগির মাংস ছিল। সেখান থেকেই দুর্গন্ধ বেরিয়েছিল।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কয়েকজনের ভাষ্য- বস্তায় গরুর মাংস ও মুরগির মাংসের পৃথক পৃথক প্যাকেট ছাড়াও গরুর অপরিচ্ছন্ন ‘নাড়িভূড়ি’ ছিল। নাড়ি-ভূড়ি থেকেই দুর্গন্ধের উৎপত্তি।

গত ৭ সেপ্টেম্বর বেলা পৌনে তিনটার দিকে ক্লাস শেষে বিএসএমএমইউর টিএসসি ক্যান্টিনে দুপুরের খাবার খাচ্ছিলেন ১০/১২ জন চিকিৎসক। এমন সময় একজন ক্যান্টিনের একজন সহযোগী একটি বস্তা নিয়ে ক্যান্টিনের পেছনে রান্নাঘরে প্রবেশ করে। সে যখন ক্যান্টিনের ভেতর দিয়ে রান্না ঘরের দিকে যাচ্ছিল তখনই পুরো এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। দুর্গন্ধের মাত্রা এতটাই বেশি যে, যারা খাবার খাচ্ছিলেন তাদের সবাই খাওয়া বন্ধ করে নাক চেপে ধরেন। অনেকেই বমিভাব রোধ করার চেষ্টা করেন। এসময় তারা ক্যান্টিন সুপারভাইজার জাহিদের কাছে জানতে চান ওই বস্তায় কী ছিল। প্রথমে তিনি প্রসঙ্গ এড়িয়ে যান। পরে শিক্ষার্থী চিকিৎসকরা রান্নাঘরে ঢুকে বস্তা খুলে দেখেন বস্তাভর্তি মুরগির পচা মাংস! সেদিন থেকে এখন পর্যন্ত ‘জাহিদের নেতৃত্বে ক্যান্টিন’ বন্ধ রাখা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএসএমএমইউর কয়েকজন মেডিকেল অফিসার (প্রত্যক্ষদর্শী) আমাদের সময় ডটকমকে বলেন, সেখানে গরুর নাড়িভূড়ি মোটেই ছিল না। ডাস্টবিনে ফেলার সময় ও এর আগে ভাল করে ঘেঁটেঘুটে দেখা হয়েছে। সেখানে স্বচ্ছ পলিথিনে মোড়ানো গরুর মাংসের ও মুরগির মাংসের প্যাকেট ছিল। ইসলাম ধর্মের অনুসারী এইসব প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি- গরুর নাড়িভূড়ির গন্ধের সঙ্গে তারা পরিচিত। বস্তা থেকে ভেসে আসা গন্ধ প্রাণীদেহ পঁচে যাওয়ার উৎকট গন্ধ।

একই ধরণের বক্তব্য যারা প্রত্যক্ষদর্শীদের মাধ্যমে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এর মধ্যে বিএসএমএমইউ প্রশাসনের কয়েকজন পদস্থ কর্মকর্তাও আছেন।

ক্যান্টিন সুপারভাইজার জাহিদ বুধবার সন্ধ্যায় বলেন, গন্ধ বেরিয়েছিল গরুর নাড়িভূড়ি থেকে। সেখানে কোনো পঁচা মাংস ছিল না। তার দাবি- ঘটনাটিকে অতিরঞ্জিত করা হয়েছে। তিনি স্বীকার করেছেন- মাংসগুলি ছিল বাবুর্চির।
প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য মতে- মাংস ছিল ক্যান্টিনের বাবুর্চির। সবার জেরার মুখে বাবুর্চি জানান, এসব তার ছেলের অনুষ্ঠিতব্য সুন্নতে খাতনার জন্য কিনে রেখেছিলেন। বাসার ফ্রিজ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তিনি এখানে রাখতে চেয়েছিলেন। তাৎক্ষণিকভাবে তার বাসায় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কথা বলে বিএসএমএমইউ প্রশাসনের কয়েকজন সুন্নতে খাতনার বিষয়টি নিশ্চিত হতে চেয়েছিলেন। বাবুর্চি নাকি জানিয়ে দেন- তার বাসায় মোবাইল ফোন নেই।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী বেশক্ষুব্ধ স্বরে বলেন, এখানকার নিয়ম- এখানে গরুর মাংস রান্নাই নিষেধ। রান্না না করুক, বিনা অনুমতিতে গরুর মাংস কেন প্রবেশ করাবে? বাবুর্চিকে না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

গত কয়েকদিন ধরে টিএসসি ক্যান্টিন চালু করা হয়েছে বিএসএমএমইউ প্রশাসনের নির্দেশে। অন্য ব্যক্তিকে দেয়া হয়েছে ক্যান্টিন পরিচালনার দায়িত্ব।

এক্সক্লুসিভ নিউজ

কম সংরক্ষণ ক্ষমতার আতপ চালের মজুদ আমদানি
বিপাকে সরকার

ডেস্ক রিপোর্ট : অত্যন্ত কম সংরক্ষণ ক্ষমতার আতপ চালের মজুদ... বিস্তারিত

ওবামার জন্য মরিয়া দলীয় নেতারা, যাচ্ছেন নিউ জার্সি ও ভার্জিনিয়ায়

রবি মোহাম্মদ: সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা মার্কিন মসনদ ছাড়ার... বিস্তারিত

ট্রাম্পের ইরান বৈরী ভাষণে সৌদি সমর্থন ও নেতানিয়াহুর প্রশান্ত মুখ

লিহান লিমা: জাতিসংঘে প্রথমবারের মত ভাষণ দিতে গিয়ে একের পর... বিস্তারিত

রোহিঙ্গা শিবিরে মানবিক বিপর্যয়

রাহাত : উখিয়ার বালুখালীর তেলিপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির। সেখানে খালপাড়... বিস্তারিত

রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে শেখ হাসিনার ৬ প্রস্তাব

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে নির্যাতন বন্ধ করে... বিস্তারিত

মুসলিম দেশগুলোর ঐক্যের ব্যাপারে জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

আরিফ আহমেদ : বিশ্বে মুসলমানেরা শরণার্থী হচ্ছে কেন—সে প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রী... বিস্তারিত





আজকের আরো সর্বশেষ সংবাদ

Privacy Policy

credit amadershomoy
Chief Editor : Nayeemul Islam Khan, Editor : Nasima Khan Monty
Executive Editor : Rashid Riaz,
Office : 19/3 Bir Uttam Kazi Nuruzzaman Road.
West Panthapath (East side of Square Hospital), Dhaka-1205, Bangladesh.
Phone : 09617175101,9128391 (Advertisement ):01713067929,01712158807
Email : [email protected], [email protected]
Send any Assignment at this address : [email protected]