রাম রহিম সম্পর্কে আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য
ধর্ষক বাবার হাত থেকে রেহাই পেত না নাবালিকারাও !

আমাদের সময়.কম
প্রকাশের সময় : 13/09/2017 -19:00
আপডেট সময় : 13/09/ 2017-19:01

আবু সাইদ: ডেরা সাচা সৌদার প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিংহকে জেলে ঢোকানোর পর থেকে তাঁর সম্পর্কে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য প্রতিদিনই সামনে এসেছে। পুলিশ তল্লাশি চালিয়েছে লাভ চার্জারের গোপন ডেরাতেও। জানা গেছে তাঁর গোপন সেনাবাহিনী সম্পর্কে। এমনকি তাঁর নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিল কুরবানি ডাল নামের একটি গোষ্ঠী। যাঁদের মূল লক্ষ্য ছিল নিজেদের জীবনের বিনিময়েও ধর্ষক বাবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কিন্তু সম্প্রতি রাম রহিম সম্পর্কে প্রকাশ্যে এসেছে আরও একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য। ধর্ষক বাবা একদল মহিলা দালালও নিয়োগ করেছিলেন। সেই সমস্ত মহিলাদের দায়িত্ব ছিল অল্পবয়সি, নিষ্পাপ মেয়েদের প্রশিক্ষণ দেওয়া। কীসের প্রশিক্ষণ জানেন? তাঁদের মূল কাজই ছিল ধর্ষক বাবার যৌন চাহিদা পূরণ করা।

দুর্ভাগ্যজনক ভাবে এই মহিলা দালালরা ভুলে যেতেন তাঁদের একসময় যে যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে, সেই যন্ত্রণার মধ্যে দিয়েই যেতে হবে ওই কচি কচি মেয়েগুলোকে। ওই মহিলা দালালরা রোবটের মতো রাম রহিমের নির্দেশে কাজ করতেন। এবং এটা কোনও এক রাতের ঘটনা নয়। প্রতি রাতে নতুন নতুন মেয়ে লাগত লাভ চার্জারের নিজের যৌন খিদে মেটানোর জন্যে। রেহাই পেত না নাবালিকারাও।

তবে শুধু যৌন হেনস্থা নয়, অনেক ফলোওয়ারের সঙ্গে সহমত হয়েই শারীরিক মিলন করতেন রাম রহিম। তাঁরা ধর্ষক বাবার এতটাই বশ হয়ে যেতেন, যে তিনি যা বলতেন অন্ধের মতো সেটা পালন করতেন ওই মহিলারা। পরে এই মহিলারাই নতুন নতুন মেয়ে ধর্ষক বাবার জন্যে ধরে আনতেন। তবে ডেরায় শুধু রাম রহিম নন, বহু রাজনৈতিক নেতাও যেতেন বিনোদনের জন্যে, পেতেন মদ, মহিলা এবং টাকা।

রাম রহিম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এই মহিলা দালালরা মূলত রোবটের মতো কাজ করতেন। তাঁদের কোনও মানবিকতা ছিল না, কোনও অনুভূতি থাকত না। তাঁরা ছোট ছোট শিশুর চিত্কারেও থেমে যেতেন না। নির্বিকার ভাবে তাদের ঢুকিয়ে দিতেন বাবার গুহায়।

ধর্ষক বাবার শাস্তির পিছনে থাকা এক মহিলার অভিযোগ, এই মহিলা দালালদের বিষকন্যা বলা হত । তাঁর দাবি, তিনি গুহার বাইরে নিরাপত্তা দিতেন। তখনই দেখেছিলেন বহু মেয়ে সেখান থেকে কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কেউই বলত না, তাদের সঙ্গে কী হয়েছে। মূলত সেখানে মেয়েদের ঢোকানো হত। তারপর বিভিন্ন জিনিষ দিয়ে তাদের প্রলোভন দেখানো হত। তারপর বলা হত, বাবা তাদের নির্বাচিত করেছেন, নিজের সবচেয়ে প্রিয় শিষ্যা হিসেবে। এবার তাঁদের পবিত্র করার জন্যে নিজের কাছে ডাকবেন। তবে শুধু যৌন খিদে মেটানোই নয়, বাবার জন্যে রান্না থেকে কাপড় কাচা, সবই করতে হত ওই সমস্ত মেয়েদের।

এছাড়া ওই মহিলা দালালরা গুহার সমস্ত মেয়েদের ওপর সর্বক্ষণ নজর রাখতেন। কেউ যদি বাবার বিরুদ্ধে মুখ খুলত, তাহলে  দিনের পর দিন খাবার জুটত না। এছাড়া আরও নানা ধরনের অত্যাচার তো চলতই। রেহাই মিলত না ছেলেদেরও। তবে ছেলেদের অপরাধ গুহায় তাঁরা কোনও মেয়ের দিকে তাকালেই পেতে হত কড়া শাস্তি। এদিকে দলিত মহিলাদের সেখানে পরিণত করা হয় কাজের লোকে। কিন্তু এই পুরো প্রক্রিয়ায় বাবাকে যে মহিলা দালালরা সাহায্য করতেন, তাঁরা কিন্তু এখন প্রকাশ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন বিনা বাধায়।

সুত্র: ইন্ডিয়া টুডে।

এক্সক্লুসিভ নিউজ

সত্তর হাজার লাগাম থাকবে জাহান্নামের

সাইদুর রহমান: জাহান্নামের আকৃতি-প্রকৃতি কেমন হবে এ বিষয়ে হাদীস শরীফে... বিস্তারিত

স্কুলে শাস্তির পক্ষে ৬৯ শতাংশ মা-বাবা

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিশুরা বেত, ডাস্টার, স্কেল দিয়ে শারীরিক নির্যাতন... বিস্তারিত

রোহিঙ্গা শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ বাড়াবে তুরস্ক

মরিয়ম চম্পা : রোহিঙ্গা শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ বাড়াবে তুরস্ক। রোহিঙ্গা... বিস্তারিত

আর্জেন্টাইন সাবমেরিন এখনো লাপাত্তা

প্রিয়াংকা পান্ডে: রোববার শত চেষ্টার পরও হারিয়ে যাওয়া আর্জেন্টাইন সাবমেরিনের... বিস্তারিত

তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মদিনে কেক কাটলেন খালেদা জিয়া

মাঈন উদ্দিন আরিফ: বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও পুত্র তারেক রহমানের... বিস্তারিত

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনে জাপানের সমর্থন

আবু সাইদ: বাংলাদেশ সফররত জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তারো কোনো বলেছেন, ২০২১... বিস্তারিত





আজকের আরো সর্বশেষ সংবাদ

Privacy Policy

credit amadershomoy
Chief Editor : Nayeemul Islam Khan, Editor : Nasima Khan Monty
Executive Editor : Rashid Riaz,
Office : 19/3 Bir Uttam Kazi Nuruzzaman Road.
West Panthapath (East side of Square Hospital), Dhaka-1205, Bangladesh.
Phone : 09617175101,9128391 (Advertisement ):01713067929,01712158807
Email : [email protected], [email protected]
Send any Assignment at this address : [email protected]