১০ টাকা কেজি চালের কারণেই চালের সঙ্কট তৈরি হয়েছে : মুনিরুজ্জামান

গাজী মিরান : কয়েক মাস আগে যে, ১০ টাকা কেজি দরে চাল দেওয়া হয়েছিল এটা কোথা থেকে দেওয়া হয়েছে? এটা কি আলাদা কিনে দেওয়া হয়েছে? না। এটা কিন্তু গোডাউনে যে মজুদ ছিল সেই মজুদ থেকে দিয়েছে। কিন্তু এই মজুদ থেকে একদিকে ১০ টাকা কেজি দরে চাল দিয়েছে, অন্যদিকে খালি গোডাউন মজুদ করা হয় নি। যার ফলেই এবার প্রথম সঙ্কট তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন সিনিয়র সাংবাদিক মুনিরুজ্জামান।

একাত্তর টেলিভিশনের ‘একাত্তর জার্নাল’ অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, এ কথা সরকার স্বীকার করবে না। অথচ প্রতি বছর আমাদের চালের উৎপাদন বেড়েই চলছে। এমনকি উৎপাদন ও চাহিদার মধ্যে পার্থক্যও বেশি নেই। কিন্তু তারপরেও আমরা এবার ১০ লাখ টন চাল আমদানি করছি। যদিও এটা আপদকালীন ব্যবস্থা।

এসময় সাংবাদিক মনিরুজ্জামান আরও বলেন, আমাদের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার মধ্যে একটা পার্ট হচ্ছে সরকারের হাতে চালের মজুদ রাখা। এই জন্য তারা প্রতি বছর বাজার থেকে চাল কিনে গোডাউন পর্যন্ত পৌঁছানই এবং বাজার থেকে চাল সংগ্রহ করাসহ নানা কর্মকাণ্ড তারাই করে থাকেন। কিন্তু তারা উৎপাদনকারী থেকে শুরু করে মিলার পর্যন্ত যে, ম্যানেজ করার ব্যপার আছে সেখানে একটা বড় রকমের ঘাটতি আছে।

তিনি আরও বলেন, একবার যখন সঙ্কট শুরু হয়ে গেলো এবং যেহেতু ম্যানেজ ম্যান্টের দুর্বলতা আছে ফলে এই গ্যাপটা আর পূরণ হয়নি। এটা একটা বিষয়ে। তার পরে মিলারা যখন চাল কিনছে। তারা যে দামে চাল কিনছে আর সরকার যে দামে চাল কিনছে তার মধ্যে একটা তফাত আছে। মোটামটি আমাদের প্রতিটা সেক্টরেই কিন্তু চালের দামের ফারাক হয়। তাই আমি মনে করি এই সকল সমস্যা যদি সমাধান করা যায় তাহলে চালের দাম বৃদ্ধি থেকে শুরু করে এই সকল নানা সমস্যার সম্মুখীন হতাম না।