প্রসঙ্গ খেলাপি ঋণ

 

অধ্যাপক আবু আহমেদ : খেলাপি ঋণের ঝুঁকিতে রয়েছে সরকারি ব্যাংকগুলো। কিন্তু বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে এ ঝুঁকি তেমনটা নেই। বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে যারা বিনিয়োগ করেছেন, তারা এ বিষয়টি নিয়ে খুবই সতর্ক। ব্যাংক থেকে টাকা তুলে অনেকে স্ত্রী-সন্তানদের বিদেশে পাঠিয়ে দেন। খেলাপি ঋণ বন্ধ করার জন্য অবশ্যই সরকারের সদিচ্ছা লাগবে। যিনিই খেলাপি তাকেই ধরে ফেলতে হবে। কারখানা বা ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে যাবে কিনা এগুলো নিয়ে ভাবার সময় আর নেই। কোনো কোনো কোম্পানি রিকনস্ট্রাকশন করছে সেগুলো আবার ব্যাংক থেকে ঋণ চাচ্ছে। আর তা না হলে তারা ঋণ পরিশোধ করতে পারবে না। এখন তারা ব্ল্যাকমেল করছে। তারা বলছে, ফ্যাক্টরি না চললে আমরা কীভাবে ঋণ পরিশোধ করব? অথচ কয়েক বছর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণের সুদ মওকুফ করে নিয়েছে। তখন তারা বলেছিল, নিয়মিত ঋণের কিস্তি দিয়ে যাবে। আর এখন কয়েকটি কোম্পানি নিয়মিত সুদ পরিশোধ করছে আর বাকিগুলো আবার খেলাপি হয়ে গেছে।
পরিচিতি: অর্থনীতিবিদ
মতামত গ্রহণ: বায়েজিদ হোসাইন
সম্পাদনা: আশিক রহমান