কাশ্মিরে গেরিলাদের মোকাবিলায় মাঠে নামছে সামরিক রোবট

সেনাবাহিনীর প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যেভাবে সন্ত্রাসবাদ এখন জঙ্গল থেকে শহরের দিকে এগোচ্ছে তাতে রোবট এক সেনা জওয়ানের মতো নিরাপত্তা ও নজরদারির কাজ করবে। রোবটগুলোর ‘মারা যাওয়ার’ ভয় না থাকায় এবার তাদেরকে সিস্টেমের সঙ্গে শামিল করা প্রয়োজন।

সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা বলছেন, যেভাবে জম্মু-কাশ্মিরের পরিস্থিতি চলছে তা ঠিক নয়। ওই সমস্যা মোকাবিলা করার জন্য আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী ছাড়াও রাষ্ট্রীয় রাইফেলস রয়েছে যারা সন্ত্রাসবাদের মুখোমুখি হচ্ছে। এরকম অবস্থায় রোবট রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের খুব সহায়ক হবে।

২০০ মিটার রেঞ্জের ওই রোবটের বিশেষ বৈশিষ্ট হল এটি খুব হালকা হবে এবং এতে ক্যামেরা বসানোর সুবিধা থাকবে। ভিড় এলাকাতেও এর ব্যবহার করা যাবে।  যেকোনো স্থানে খুব সহজেই রোবট গোলাবারুদ পৌঁছে দিতে পারবে।

জম্মু-কাশ্মিরে সন্ত্রাসবাদী অভিযান চালাতে রোবট যুক্ত হলে ভারতীয় বাহিনীর শক্তি বহুগুণ বেড়ে যাবে। ফায়ারিং রেঞ্জের মধ্যে সেনাবাহিনীকে অস্ত্র ও গোলা-বারুদের জোগান দেয়া বেশ ঝুঁকির হওয়ায় রোবটের মাধ্যমে খুব সহজেই ওই কাজ করা সম্ভব হবে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মেশিন এমন হওয়া প্রয়োজন যাতে জটিল ও স্পর্শকাতর স্থানে গ্রেনেড ও অস্ত্রশস্ত্রের সরবরাহ সহজ হয়।

জম্মু-কাশ্মিরে একদিকে স্থানীয় ও বহিরাগত বিভিন্ন গেরিলা সংগঠন, অন্যদিকে সীমান্তের ওপার থেকে পাক বাহিনীর হামলার মুখোমুখি হতে হচ্ছে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে। এসব ছাড়াও স্থানীয় মানুষজনের প্রতিরোধ আন্দোলনকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে ভারতীয় বাহিনীকে। কার্যত চতুর্মুখি টার্গেটের শিকার হওয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে সেনাবাহিনীর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে। সেক্ষেত্রে অশান্ত জম্মু-কাশ্মিরে রোবট ব্যবহার করে সেনাবাহিনী অনেকটাই সুবিধা পাবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। সূত্রঃ এনডিটিভি