ভারতের কথা শুনছে না ভুটান

আমাদের সময়.কম
প্রকাশের সময় : 12/08/2017 -15:59
আপডেট সময় : 12/08/ 2017-15:59

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের পক্ষে কথা বলার জন্য দিল্লি অব্যাহতভাবে ভুটানকে চাপ দিয়ে গেলেও থিম্পুর নিরপেক্ষ অবস্থান ভারতকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলেছে।

ভারতীয় মিডিয়ার খবরে বৃহস্পতিবার বলা হয় যে, ভুটান সরকারের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্র মিডিয়াকে বলেছে যে, ডোকলাম ইস্যুতে ভুটানের অবস্থান তুলে ধরতে যেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ২৯ জুন দেয়া বিবৃতির কথা উল্লেখ করা হয়। ওই বিবৃতিতে বলা হয় যে ডোকলামে সড়ক নির্মাণ চুক্তির সরাসরি লঙ্ঘন।

কিছুদিন আগে একজন চীনা কূটনীতিক সফরকারী একটি ভারতীয় মিডিয়া প্রতিনিধি দলকে জানান, কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে চীনকে ভুটান জানিয়েছে যে, অচলাবস্থা সৃষ্টিকারী ভূখণ্ডটি তাদের নয়।

আসল কথা হচ্ছে যে ভারতীয় সেনারা ‘ভুটানকে সুরক্ষা’র নামে চীনের ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে। এখন থিম্ফুর অবস্থান ভারতের জন্য বিপর্যয়কর। ভারতীয় সেনাবাহিনী ভুটানে অবস্থান করছে এবং তারাই দেশটির প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয়াবলী নিয়ন্ত্রণ করছে।

ভুটানের সিনিয়র কর্মকর্তারা কখনোই বলেননি যে অচলাবস্থা সৃষ্টিকারী ভূখণ্ডটি তাদের। তারা এও স্বীকার করেননি যে চীনের সড়ক নির্মাণ বাধা দিতে ভারতকে হস্তক্ষেপের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। ভুটানের হয়ে নিজে থেকেই কথা বলছে ভারত।

শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ তার ভুটানি প্রতিপক্ষ দামচু দরজির সঙ্গে সাক্ষাত করেন। দরজি বলেন, ডোকলাম পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ও আপসে নিস্পত্তি হবে বলে আমরা আশা করছি।

এই অচলাবস্থায় ভুটান স্পষ্টত নিরপেক্ষ থাকতে চাচ্ছে। চীনা অনুপ্রবেশের শিকার হওয়ায় মরিয়া হয়ে ভারতের সাহায্য চেয়েছে এমন কোনো দেশের মতো আচরণ তারা করছে না।

ভারত ভুটানকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক আইনের কাছে তার বানোয়াট অজুহাতের কোনো ভিত্তি নেই।

ভারতের সামগ্রিক সামর্থ্য কোনো বড় শক্তির ধারে কাছে না থাকলেও এর আধিপত্যবাদি উচ্চাকাঙ্খা বিশ্বমানের। অতীতে তারা সিকিমকে জোরপূর্বক দখল করেছে এবং ভুটানের সার্বভৌম অধিকার অব্যাহতভাবে লঙ্ঘন করে চলেছে।

নেপালের পররাষ্ট্রনীতিতে নাক গলাচ্ছে। এর কারণ ভারতকে সবসময় পশ্চিমারা আস্কারা দিয়েছে। নয়াদিল্লি’র অনেক আচরণ যুক্তরাষ্ট্র ও এর মিত্ররা সহ্য করে যাচ্ছে।

ভারতের আঞ্চলিক আধিপত্যবাদ এখন চীনের জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে, বেইজিংকে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করছে। চীন বলে আসছে যে, আকার যাই হোক না কেন সব দেশ সমান। চীনের এই মনোভাব দক্ষিণ এশিয়ায় ছড়িয়ে দেয়া প্রয়োজন। সেখানে ভারতের কাছ থেকে চাপে থাকা দেশগুলো নিশ্চিতভাবে চীনের এই প্রচারণাকে স্বাগত জানাবে। ভারতের প্রতি এসব দেশের মনোভাবকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা চীনের রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের আধিপত্যবাদের অবসান ঘটানোর সময় এসেছে।

চীন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য। ভারত যেভাবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সার্বভৌম অধিকার লঙ্ঘন করছে আমরা জাতিসংঘে তার নিন্দা জানাতে পারি। ডোকলাম অচলাবস্থা একটি সূচনা মাত্র। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত কি করছে বিশ্ববাসীর তা দেখা উচিত।

 

আরটিএনএন থেকে নেয়া

এক্সক্লুসিভ নিউজ

২ লাখ রোহিঙ্গা’র খাদ্য, আশ্রয়, স্বাস্থ্যসেবা ও স্যানিটেশনে সহযোগিতা করবে তুরস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক : তুরস্ক সরকার বাংলাদেশে আশ্রিত ২ লাখ রোহিঙ্গার... বিস্তারিত

বিনামূল্যে দেয়া হবে ২০ লাখ ইন্টারনেট সিম

ডেস্ক রিপোর্ট : সারাদেশে বিনামূল্যে টেলিটকের ২০ লাখ সিম বিতরণ... বিস্তারিত

গলায় পাথর বাঁধা মেয়েটিকে একটি কুয়ায় পাওয়া গিয়েছিল..

আলী মোহ্ম্মদ ঢালী : দক্ষিণ আমেরিকার দেশ হন্ডুরাসের এক এতিম... বিস্তারিত

ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে এক বছর সময় চাইলেন এলজিআরডি মন্ত্রী

জান্নাতুল ফেরদৌসী: ঢাকার জলাবদ্ধতার স্থায়ী কোনো সমাধান সম্ভব নয়। তবে... বিস্তারিত

রাত ৮টায় খালেদা জিয়া ও সুষমা স্বরাজের বৈঠক

মাঈন উদ্দিন আরিফ : বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার... বিস্তারিত





আজকের আরো সর্বশেষ সংবাদ

Privacy Policy

credit amadershomoy
Chief Editor : Nayeemul Islam Khan, Editor : Nasima Khan Monty
Executive Editor : Rashid Riaz,
Office : 19/3 Bir Uttam Kazi Nuruzzaman Road.
West Panthapath (East side of Square Hospital), Dhaka-1205, Bangladesh.
Phone : 09617175101,9128391 (Advertisement ):01713067929,01712158807
Email : [email protected], [email protected]
Send any Assignment at this address : [email protected]