জাতিসংঘের উদ্বেগ
রোহিঙ্গা দমনে মিয়ানমারের আরো সেনা মোতায়েন

আমাদের সময়.কম
প্রকাশের সময় : 12/08/2017 -13:02
আপডেট সময় : 12/08/ 2017-15:10

রাশিদ রিয়াজ : মিয়ানমারে রাখাইন অঞ্চলে রোহিঙ্গা মুসলমানদের আরো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করার জন্যে কার্ফিউ’এর মেয়াদ সহ সেনা মোতায়েন বৃদ্ধি করায় জাতিসংঘ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। শনিবার মিয়ানমার সরকারের তরফ থেকে নতুন করে কার্ফিউ বলবৎ ও সেনা মোতায়েন বৃদ্ধির কথা জানানো হয়। দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর নির্যাতন চলে আসায়, ফের নতুন করে কার্ফিউ ও সেনা মোতায়েনে জাতিসংগের স্পেশাল র‌্যাপোটিয়ার ইয়াংঘি লি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, উদ্বেগের জন্যে এ বিষয়টি প্রধান কারণ। তবে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ বলছে, রাখাইনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই কার্ফিউ ও সেনা মোতায়েন বৃদ্ধি করা হয়েছে।

গত বছর অক্টোবরে রাখাইনে একটি পুলিশ চেকপোস্টের ওপর হামলার পর বেশ কয়েক মাস ওই এলাকায় সেনা অভিযান চলে। এসময় নির্যাতনের মুখে অন্তত ৭৫ হাজার রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ ও শিশু পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। রোহিঙ্গা মুসলমানরা তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগ করে।

রোহিঙ্গা মুসলমানদের মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি কেড়ে নিয়েছে দেশটির সরকার। তাদের ভোটাধিকার নেই। ফলে তারা রাষ্ট্রবিহীন জাতিতে পরিণত হয়েছে। বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারে অন্যান্য জাতিগত দাঙ্গার সঙ্গে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর চলছে নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ। তবে মিয়ানমার সরকার এসব অভিযোগ বরাবর অস্বীকার করে আসছে। এও বলছে রাখাইনের মে উ পাহাড়ি এলাকায় রোহিঙ্গারা সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। এধরনের বিবৃতি গত অক্টোবরে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে।

গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার বলছে, দেশটির সরকার রাখাইনে আরো সেনা মোতায়েন ছাড়াও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যাও বাড়াচ্ছে। প্রয়োজনে কার্ফিউ’এর মেয়াদ বাড়ছে। এর লক্ষ্য হচ্ছে ওই এলাকায় সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করা।

গত কয়েক মাসে রাখাইন অঞ্চলে বেশ কয়েকটি হতাহতের ঘটনা ঘটে। মুখোশধারী সন্ত্রাসীরা এধরনের সন্ত্রাস ঘটায় বলে অভিযোগ ওঠে। মিয়ানমার সরকার বলছে, আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি এধরনের সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। তবে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি টুইটারে এক বিবৃতিতে এধরনের সহিংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে।

রাখাইন অঞ্চলে রোহিঙ্গাদের বসবাস এলাকায় ঘেরাও ও তল্লাশী বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ মাসের শুরুতে সেখানে গ্রামবাসীদের সঙ্গে মুখোমুখি হলে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা গুলি চালায়।

জাতিসংঘের তরফ থেকে বলা হচ্ছে মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চলে এধরনের অভিযান চালানোর সময় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রীতি অনুসরণ করার জন্যে। জাতিসংঘের র‌্যাপোটিয়ার ইয়াংঘি লি বলছেন, মিয়ানমার সরকারকে অবশ্যই মানবাধিকারের প্রতি সন্মান ও তা নিশ্চিত করে এধরনের সেনা অভিযান চালাতে হবে।

বৌদ্ধ সংখ্যাগরীষ্ঠ মিয়ানমারে দশ লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিত হয়ে আসছে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্বে দেশটির ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে। নাগরিকত্ববিহীন রোহিঙ্গা মুসলমানরা দেশটিতে মৌলিক চাহিদার বাইরে তাদের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্যে দাবি জানিয়ে আসছে। সেখানে জাতিসংঘের তদন্ত দলকে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে না মিয়ানমার সরকার। আল-জাজিরা

এক্সক্লুসিভ নিউজ

রোহিঙ্গা ঢল কবে থামবে কেউ জানে না

তারেক : রোহিঙ্গা স্রোত মাঝে কিছুটা স্তিমিত হলেও ফের শুরু... বিস্তারিত

২০ মাসেও প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন মেলেনি, ২০ হাজার কর্মচারীর পেনশন স্থগিত

হুমায়ুন কবির খোকন : অর্থবিভাগ হতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো প্রস্তাব... বিস্তারিত

পাকিস্তানি নারীরা নিজেদের নিয়ে লজ্জাবোধ করেন: সুমাইয়া জাফরি

লিহান লিমা: পাকিস্তানে পোশাকের কারণে রাজনীতি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন অনেক... বিস্তারিত

ইভিএমে আওয়ামী লীগের ‘হ্যাঁ’ বিএনপির ‘না’

সজিব খান: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)... বিস্তারিত

স্কুল কলেজে হাজিরা কোচিংয়ে লেখাপড়া!

ডেস্ক রিপোর্ট : শিক্ষার্থীরা এখন আর শেখার জন্য বা লেখাপড়ার... বিস্তারিত

পেপ্যাল নাকি জুম, খোলসা করলেন পলক

সারোয়ার জাহান : বৃহস্পতিবার থেকে বাংলাদেশে চালু হচ্ছে আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেনের... বিস্তারিত





আজকের আরো সর্বশেষ সংবাদ

Privacy Policy

credit amadershomoy
Chief Editor : Nayeemul Islam Khan, Editor : Nasima Khan Monty
Executive Editor : Rashid Riaz,
Office : 19/3 Bir Uttam Kazi Nuruzzaman Road.
West Panthapath (East side of Square Hospital), Dhaka-1205, Bangladesh.
Phone : 09617175101,9128391 (Advertisement ):01713067929,01712158807
Email : [email protected], [email protected]
Send any Assignment at this address : [email protected]