ভারত থেকে গরু আমদানি বন্ধের দাবি

জান্নাতুল ফেরদৌসী : গত বছরের মতো এবারও কোরবানিতে পশু সংকটের কোন আশঙ্কা নেই। তাই ভারত থেকে গরু আমদানি বন্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কঠোর হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলছেন, এই মূহুর্তে ভারতীয় গরু এলে বিপুল ক্ষতির মুখে পড়বে দেশের ব্যবসায়ীরা।

কয়েক বছর আগেও ঈদুল আযহায় কোরবানি পশুর বড় একটি অংশ আসত ভারত থেকে। তবে দেশীয় খামার ব্যবস্থা গড়ে ওঠায় এখন বদলে গেছে সেই চিত্র। কোরবানিকে সামনে রেখে ব্যক্তি পর্যায়েও পশু পালন করছেন অনেকেই।

গত বছর হঠাৎ ভারত থেকে গরু আমদানি বন্ধ হলেও বাংলাদেশের বাজারে তার প্রভাব খুব একটা পরেনি। এবারও দেশে কোরবানির পর্যাপ্ত পশু আছে বলে জানান প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর।

প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর, মহাপরিচালক ডা. আইনুল হক বলেন, আমাদের স্টকে পশু আছে ১ কোটি ১৫ লাখ ৫৭ হাজার। কাজেই আমরা মনে করছি যে, এবার কোরবানি সময় গবাদিপশুর কোনো সংকট হবে না।

প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর বলছে, গত কোরবানির ঈদে দেশে গরু,মহিষ ও ছাগল- ভেড়া জবাই দেয়া হয়েছে ১ কোটি ৫ লাখ।

প্রতি বছর কোরবানি পশুর চাহিদা বাড়ে ১০ শতাংশ হারে। সে হিসেবে এবার পশু দরকার ১ কোটি ১৫ লাখ। অধিদপ্তরে হিসাবে কোরবানির জন্য এবার ৪৪ লাখ ৫৭ হাজার গরু ও মহিষ এবং ৭১ লাখ ছাগল ও ভেড়া উৎপাদন হয়েছে । তাই ভারত থেকে গরু আনার বন্ধের অনুরোধ জানিয়েছে, প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর ।

প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর, মহাপরিচালক ডা. আইনুল হক বলেন,আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছি, আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী কোরবানির পশু আছে। ভারত থেকে গরু আনলে নানা ক্ষতির মুখে পরবে দেশীয় ব্যবসায়ীরা।

সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবি বলছে, ভারত থেকে গত বছর বৈধভাবে আনা হয়েছে ১১ লাখ ২৭ হাজার গরু। আর এবছরে জুলাই পর্যন্ত গরু এসেছে প্রায় ৪ লাখ ৭ হাজার ।

সূত্র : ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি