উত্তর কোরিয়াকে মানচিত্রে খুঁজে পাচ্ছেনা আমেরিকানরা

পরাগ মাঝি: উত্তর কোরিয়ার সদ্য তৈরী পারমানবিক অস্ত্র তাদের ক্ষেপণাস্ত্রে বসানোর জন্য প্রস্তুত- এমন খবর পাওয়ার পরই হুঙ্কার ছাড়েন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, উত্তর কোরিয়া এমন আগুনে পুড়বে যা পৃথিবী আগে কখনো দেখেনি। ট্রাম্পের বক্তব্যের পরই সমূহ যুদ্ধের আশঙ্কায় শুধু যুক্তরাষ্ট্রের মানুষই নয়, শঙ্কিত সারা বিশ্ব। বিশেষ করে মার্কিন গণমাধ্যমে টকশোগুলোর প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠে উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধ প্রসঙ্গটি।

বুধবার রাতে ‘জিমি কিমেল লাইভ’ এপিসোডেও প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়ায় উত্তর কোরিয়া প্রসঙ্গ। অনুষ্ঠানের শুরুতেই জিমি বলেন, ‘আজকের দিনটিতে উত্তর কোরিয়া একটি বিরাট বড় প্রসঙ্গ।’ এ সময় তিনি দর্শকদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, চলুন দেখে নেওয়া যাক, কি পরিমাণ আমেরিকান মানচিত্রে উত্তর কোরিয়ার অবস্থানকে সনাক্ত করতে পারে।

এরপরই দেখা যায়, কিমেল লাইভ স্টুডিওর বাইরে লস এঞ্জেলসের হলিউড পাড়ায় পৃথিবীর একটি বড় মানচিত্র একটি স্ট্যান্ডে স্থাপন করা হয়েছে। পথচলতি মানুষদেরকে এই মানচিত্রের দিকে আহ্বান জানাচ্ছিলেন কিমেলের একটি দল। পথিকদের তারা জিজ্ঞেস করছিলেন, ‘বলুনতো, বিশ্বের ঠিক কোন জায়গাটিতে উত্তর কোরিয়ার অবস্থান?’ অবাক হওয়ার পালাটি আসে ঠিক তখনই। কারণ যাদের জিজ্ঞেস করা হলো- তাদের কেউই সঠিক উত্তর দিতে পারলেন না। তাদের কেউই জানেন না, উত্তর কোরিয়া আমেরিকা থেকে ঠিক কতোটা দূরত্বে! পরীক্ষণে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ আমেরিকানই ভাবছিলেন, উত্তর কোরিয়া অস্ট্রেলিয়া কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের নিকটবর্তী কোন দেশ। কেউ কেউ উত্তর কোরিয়ার অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যেই বলে মত দিলেন। তবে, সবচেয়ে ভয়ানক উত্তরটি দিলেন একজন। তার মতে, উত্তর কোরিয়ার অবস্থান কানাডায়। কিন্তু দু:খজনক হলো- মানচিত্রে কেউই উত্তর কোরিয়ার অবস্থানকে সনাক্ত করতে পারেননি। যদিও জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে উত্তর কোরিয়াকে কি সবচেয়ে বড় হুমকি মনে করেন? এমন প্রশ্নে সবাই এক বাক্যেই বলেছিলো- হ্যা।