বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ড
খুনিদের একজন দার্জিলিংয়ে, অন্যজন সক্রিয় প্রশ্নপত্রফাঁস সিন্ডিকেটে (ভিডিও)

rajon-550x275আরিফুর রহমান: প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে আলোচিত বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা। বিভিন্ন সামাজিক এবং রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে হরহামেশাই তাদের দেখা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ব্যাপক সক্রিয় তাদের দুজন। একজন ফাঁসির আসামী রাজন তালুকদার আছেন দার্জিলিংয়ে। আরেকজন যাবৎজীবন দন্ডপ্রাপ্ত কামরুল হাসান বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সিন্ডিকেট চালাচ্ছে। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছে যমুনা নিউজ।
৯ ডিসেম্বর ২০১২। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২১ ছাত্রলীগ কর্মীর নির্মমতার বলি দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস। ছাত্রলীগ তাদের অস্বীকার করলেও খুনের পর শাখা ছাত্রলীগের জন্মদিনে দেখা যায় তাদের।
এখন পর্যন্ত সবাই ধরে পড়েনি। ১৩ জনকে পলাতক ধরেই পরের বছর ১৮ ডিসেম্বর সে হত্যা মামলার রায় হয়। আট জনের মৃত্যুদন্ড ও ১৩জনকে দেয়া হয় যাবৎজীবন।
তারপর কেটে গেছে তিন বছর। কার্যকর হয়নি সে রায়। ঘুরে বেড়াচ্ছে ফাঁসির এক নম্বর আসামী রাজন। যুবলীগের রাজনীতিতে আছে যাবৎজীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামী কামরুল। অথচ খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ।
রাজন আছে দার্জিলিংয়ে। ঘুরে বেড়াচ্ছে বন্ধুদের নিয়ে। ৯, ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর সেখানেই পাওয়া গেছে তার অস্বিত্ব্য। তার আগে ৮ ডিসেম্বর কলকাতায়। ৬ ডিসেম্বর বেনাপোলে। তার আগের দিন ঢাকায়। এরমধ্যে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় নিজেকে ধরা দিলেও আড়ালে সে।
যাবৎজীবন কারাদন্ড দেয়া হয়েছিল কামরুল হাসানকে। তার অস্তিত্ব্য আর রাজনৈতিক অবস্থান আরও স্পষ্ট। ১৫, ৮ ও ৩ ডিসেম্বর ঘুরে বেড়ানোর প্রমাণ সে নিজেই।
গত বছরের জুনে এলএলবি শেষ করে ওইঅওঝ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। যার সত্যতাও পাওয়া গেছে।
১৮ ডিসেম্বর ২০১৩ আদালতের রায় যখন তার বিরুদ্ধে তখন তামাবিল থেকে ফেসবুক পোষ্ট।
আশঙ্কার খবর হল এ সময়ের মধ্যে বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মূলে তার জড়িত থাকার নানা অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে।
কক্সবাজারে আছে হোটেল ব্যবসা। এরমধ্যে বিয়েও করেছে কামরুল।
রফিকুল ইসলাম শাকিলসহ এই মামলায় আটজন জেলে আছে। তাদের মামলা এখনও ঘুরপাক খাচ্ছে হাইকোর্টে।
পলাতক ১৩ জনের ৪ জন পারি দিয়েছে বিদেশ। জানা গেছে ফাঁসির ৩ নম্বর আসামী লিমন দেশেই আছে। তবুও তারা পলাতক।
সূত্র: যমুনা টিভি.