খাবারে বরকত লাভের উপায়

khabare-borkotওমর শাহ : বরকত গুরুত্বপূর্ণ এক মাধ্যম। মুমিনের যে কোন কিছুতেই বরকত প্রয়োজন। সবকিছুতে আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে বরকত থাকলে অল্পতেই সন্তুষ্ট হওয়া যায়। প্রয়োজন পূরণ হয়। ইসলামে উপকরণের চেয়ে বরকতের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে আমাদের ঘরে বরকত নেই। রিযিকে বরকত নেই। খাবারে বরকত নেই। রুজিতে বরকত নেই। রোজগারে বরকত নেই। সময়ে বরকত নেই। এ নিয়ে হাহুতাশেরও অন্ত নেই।
নবীজী সা. সহজ একটা সমাধান দিয়ে গেছেন। সাহাবীরা পেয়ারা নবীর কাছে অনুযোগের স্বরে বললেন, আমরা খানা খাই, কিন্তু পেট ভরে না। তৃপ্ত হতে পারি না।
সম্ভবত তোমরা আলাদা আলাদা খাও?
জ্বি জ্বি ঠিক তাই!
একসাথে খেতে বসবে। আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করবে। আল্লাহ বরকত দিবেন (আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)।
মাত্র দুইটা কাজ করতে বলেছেন নবীজী। তাতেই বরকত দেখা দিবে:
একসাথে মানে একপ্লেটে খেতে বসা। খ. শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়া।
এখানে বরকত বলে শুধু খাবারের বরকত ও শরীরে তার প্রভাবের কথাই নবীজী বলেননি, পারিবারিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দেখা দিবে। একসাথে নিয়মিত খেতে বসলে, পরিবারে ভুল বোঝাবুঝি, রেষারেষি হওয়া সম্ভব? সবাই সবার প্রতি সহানুভূতিশীল থাকলে বরকত না এসে পারবে না।