হজে যাওয়ার আগে সঠিক নিয়ম-কানুন জেনে নিন (ভিডিও)

4441-260x36018-400x221শিমুল রহমান : ইসলাম ধর্ম পাঁচটি ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। তার মধ্যে হজ ইসলামের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। কুরআনে এসেছে, ‘এবং সামর্থ্যবান মানুষের উপর আল্লাহর জন্য বায়তুল্লাহর হজ করা ফরয। আরযে কুফরী করে, তবে আল্লাহ তো নিশ্চয় সৃষ্টিকুল থেকে অমুখাপেক্ষী’। ( সূরা আলে ইমরান-৯৭) । হজে মাবরূর তথা মাকবূল হজ আদায়ের মাধ্যমে একজন মানুষ সদ্য প্রসূত শিশুর ন্যায় নিস্পাপ হয়ে ফিরে আসে বলে হাদীসে উলে¬খ আছে। কেবল তাই নয় হজে মাবরূর আদায়কারী ব্যক্তি যিলহজ মাস থেকে রবিউল আউয়াল মাস পর্যন্ত যত মানুষের জন্য মাফ চাইবে তাদের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। হাজ অস্বীকারকারী ব্যক্তি ইসলামের ভিতর থাকতে পারে না।যারা তা অস্বীকার করবে তারা ইসলাম থেকে সম্পূর্ণরুপে খারিজ হয়ে যায়।ইসলামে হাজ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারনা নিম্নে দেওয়া হলঃ
হজ কি
হজ আরবি শব্দ। অর্থ নিয়ত করা, দর্শন করা, সঙ্কল্প করা, এরাদা করা, গমন করা, ইচ্ছা করা, প্রতিজ্ঞা করাসহ , কোনো মহৎ কাজে ইচ্ছা করা। আর শরিয়তের পরিভাষায় নির্দিষ্ট দিনে নিয়তসহ ইহরামরত অবস্থায় আরাফার ময়দানে অবস্থান করা এবং বায়তুল্লাহ শরীফ তাওয়াফ করা।
আবার কেউ বলেন, জিলহজ্বের ৯ তারিখ ইহরাম বেঁধে আরাফাতের মাঠে অবস্থানসহ কয়েকটি নির্দিষ্ট স্থানে নির্ধারিত কয়েকটি আমল যথাযথভাবে আদায় করে কাবা গৃহ তাওয়াফ করাকে হজ্ব বলে।
আল-ফিকাউল ইসলামী গ্রন্থে বলা হয়েছে, “নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট কাজের মাধ্যমে নির্ধারিত স্থান যিয়ারত করা হল হজ ”।
শরহে বিকায়া গ্রন্থাগার বলেন, “নির্দিষ্ট সময়ে সুনির্দিষ্ট স্থান যিয়ারত করার নাম হল হজ ”।
আল-কামসুল ফিকহ গ্রন্থে আছে, “আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় একটা নির্ধারিত সময়ে মক্কা মুয়াযযামার বায়তুল হারামে গমনের নিয়ত পোষণ করাই হল হজ ”।
হজ যাদের উপর ফরয
(১) মুসলিম হওয়া।
(২) বালিগ হওয়া।
(৩) স্বাধীন হওয়া।
(৪) বিবেকবান হওয়া।
(৫)নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক যে ব্যক্তির এ পরিমাণ ধনসম্পদ আছে যে, সে হজের সফর (পথ খরচ) বহন করতে সক্ষম এবং তার অনুপস্থিতিকালীন তার পরিবারবর্গের প্রয়োজন মেটানোর মতো খরচও রেখে যেতে সক্ষম, এমন ব্যক্তির ওপর হজ ফরজ। অথবা এমন ব্যক্তি যে হজের মৌসুমে অর্থাৎ শাওয়াল মাস শুরু হওয়া থেকে সৌদি আরবে অবস্থানরত ছিল এবং জিলহজ মাস পর্যন্ত সৌদি আরবে অবস্থান করতে থাকে এবং তার ওপর যদি কোনো বিধি-নিষেধ, ওজর ও অসুবিধা না থাকে তাহলে তার ওপরও হজ পালন করা ফরজ ইত্যাদি।
(৬) যাতায়াতে নিরাপত্তা।
(৭) মহিলাদের সাথে মাহরুম থাকা।
হজ তিন প্রকার যথা :
এক-হজে তামাত্তু’